মাসিক নিয়মিত করণ বা MR 1. আমি গর্ভবতী কিন্তু এখন বাচ্চা নিতে চাচ্ছি না কি করবো? Probing Question: আপনি কত দিনের গর্ভবতী? Senario 1: যদি ৬-৯ সপ্তাহের গর্ভবতী হয়। ANS: আমাদের একটি পদ্ধতি রয়েছে মাসিক নিয়মিত করণ পদ্ধতি বা এম আর । এই পদ্ধতিতে ঔষধ এর মাধ্যমে মাসিক নিয়মিত করা হয়। সাধারণত ৬-৯ সপ্তাহের গর্ভবতী হলে প্রশিক্ষিত প্যারামেডিক বা ডাক্তার এর সাহায্যে এই পদ্ধতিতে মাসিক নিয়মিত করা হয়। এর জন্য আপনাকে নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। Senario 2: যদি ১০-১২ সপ্তাহের গর্ভবতী হয়। ANS: আমাদের একটি পদ্ধতি রয়েছে মাসিক নিয়মিত করণ পদ্ধতি বা এম আর । এই পদ্ধতিতে ম্যানুয়াল ভ্যাকুয়াম এসপিরেশন এর মাধ্যমে মাসিক নিয়মিত করা হয়। সাধারণত ১০-১২ সপ্তাহের গর্ভবতী হলে প্রশিক্ষিত ডাক্তার এর সাহায্যে এই পদ্ধতিতে মাসিক নিয়মিত করা হয়। এর জন্য আপনাকে নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। ((এজেন্ট এর জন্য তবে মনে রাখতে হবে যদি কোনো মহিলা প্রথম বার গর্ভবতী হয় আর বাচ্চা না রাখতে চায় সে ক্ষেত্রে তাকে সরাসরি "এম আর" এর কথা না বলে বাচ্চা রাখার ব্যাপারে কাউন্সিলিং করতে হবে। তবে ২০ বছরের কম আর অবিবাহিত মহিলাদের কাউন্সিলিং করা যাবে না।))) 2. আমি ঔষধ এর মাধ্যমে এম আর করিয়েছি এখন রক্ত বন্ধ হচ্ছে না কি করবো? Probing Question: আপনি কি ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ খেয়েছেন না নিজে থেকে ফার্মেসি থেকে ঔষধ কিনে এনে খেয়েছেন? Senario 1: যদি নিজে থেকে ফার্মেসি থেকে ঔষধ কিনে এনে যেয়ে থাকে তবে। ANS: এটা আসলে ডাক্তার এর পরামর্শ ছাড়া কখনোই খাওয়া উচিদ না। যেহেতু আপনি ডাক্তার এর পরামর্শ ছাড়া খেয়েছেন এবং এখন আপনার সমস্যা হচ্ছে তাই আপনি একটু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে ডাক্তার এর কাছে চেক-আপ করবেন। Senario 2: যদি ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ যেয়ে থাকেন। Probing Question: কবে এম আর করিয়াছেন? রক্তের সাথে কি দলা বা চাকা যাচ্ছে কি না? রক্তের পরিমান কি প্রথম দিন থেকে এখন পর্যন্ত কমে আসছে কি না? Senario 1: যদি সব কিছু স্বাভাবিক থাকে। ANS: সাধারণত এম আর করলে ১০-১৪ দিন পর্যন্ত রক্তপাত হয়ে থাকে এটা একটি স্বাভাবিক বেপার। এই রক্তপাত এর পরিমান প্রথম দিনের তুলনায় আস্তে আস্তে কমে আসে এবং এক সময় বন্ধ হয়ে যায়। তবে এম আর করানোর ১৪ দিন পর অবশই একবার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়া ডাক্তার এর পরামর্শ নিতে হবে। Senario 2: যদি: রক্তের সাথে দলা বা চাকা যায় ANS: আপনি আর দেরি না করে এক্ষনি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়া ডাক্তার এর পরামর্শ নিন। 3. আমি ঔষধ এর মাধ্যমে এম আর করেছি এখন ৬-৭ দিন হয়েছে আমার প্রচুর পরিমান রক্ত যাচ্ছে এটা কমছে না বা বন্ধ হচ্ছে নাকি করবো? Probing Question: কবে এম আর করিয়াছেন? রক্তের সাথে কি দলা বা চাকা যাচ্ছে কি না? রক্তের পরিমান কি প্রথম দিন থেকে এখন পর্যন্ত কমে আসছে কি না? যদি রক্তের পরিমান আগের মতোই থাকে অথবা রক্তের সাথে চাকা বা দলা যায়। ANS: আপনি আর দেরি না করে এক্ষনি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়া ডাক্তার এর পরামর্শ নিবেন। (যদি রক্তের পরিমান প্রথম দিন এর তুলনায় না কমে আর একই রকম রক্তপাত হয়ে থাকে))) 4. MR করলে কি ভবিষ্যতে বাচ্চা নিতে কি কোনো সমস্যা হবে বা বাচ্চা না হওয়ার সম্ভাবনা কি আছে? ANS: প্রশিক্ষিত ডাক্তার এর দ্বারা MR করালে ভবিষ্যতে বাচ্চা নিতে কোনো সমস্যা হবে না বা বাচ্চা না হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। তবে বারে বারে MR করালে সমস্যা হতে পারে। 5. এম আর করানোর পর কোন কোন ক্ষেত্রে রোগীকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে ডাক্তার এর পরামর্শ নিতে হবে? ANS: যদি রক্তের পরিমান প্রথম দিন এর তুলনায় না কমে আর একই রকম রক্তপাত হয়ে থাকে যদি রক্তের সাথে চাকা বা দলা যায় (MR করার ৪-৫ দিন পর), যদি ব্লিডিং এত বেশি হয় যে অনেক অতিরিক্ত মনে হচ্ছে যে সে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে, অথবা ঘন্টায় ঘন্টায় PAD পরিবর্তন করা লাগছে অথবা এমন ব্লিডিং হচ্ছে যে PAD পরার পরও পোশাক ভিজে যাচ্ছে, যদি MR করার ৫-৭ দিন পর তলপেট অসহনীয় ব্যথা শুরু হয়, যদি MR করার পর জ্বর হয়, যদি প্রসাবে জ্বালা-পোড়া শুরু হয়। এই সব ক্ষেত্রে রোগীকে আর দেরি না করে যত দ্রুত সম্ভব স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়া ডাক্তার এর পরামর্শ নিতে হবে। 6. এম আর করলে কত দিন পর মাসিক হয়? ANS: সাধারণত এমআর মাসিকের উপর কোনো প্রভাব ফেলে না, তবে কোনো কোনো সময় পরবর্তী মাসিক হতে একটু সময় লাগতে পারে। 7. MR এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা কোনো সমস্যা আছে কি? ANS: MR করলে স্বাভাবিক ভাবে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে যেমন: MR করলে স্বাভাবিক মাসিকের চেয়ে একটু বেশি রক্তপাত হতে পারে। ✓ তলপেটে মোচড় দিয়ে ব্যথা হতে পারে। মাথা ব্যথা, বমি বমি ভাব বা বমি হতে পারে। 8. MR করার কত দিন পর সহবাস করা যাবে? ANS: ঔষুধের মাদ্ধমে MR করার ক্ষেত্রে যদি রোগীর শারীরিক অবস্থা ভালো থাকে এবং রক্ত যাওয়া বন্ধ হয়ে থাকে তবে MR করার ১৪ দিন বা ২ সপ্তাহ পর থেকে সহবাস করা যাবে। আর ভ্যাকুয়াম এসপিরেশন এর মাধ্যমে MR করালে ১ মাস পর সহবাস করতে হবে। 9 . MR করার কত দিন পর আবার সন্তান নেয়া যাবে? Ans: MR এর পর সাধারনত ১২-১৪ দিনের মধ্যে গর্ভধারণ ক্ষমতা ফিরে আসে। সেক্ষেত্রে ১৪ দিন পর সহবাস করলে অবশ্যই পদ্ধতি ব্যাবহার করতে হবে। তবে MR এর ব্রীডিং শেষ হয়ে যাওয়ার পর পরবর্তী এক মাসিক চক্র চলে যাবার পর সন্তান নেয়ার চেষ্টা করা ঠিক হবে। 10. ঔষধ বা MM-KIT খাওয়ার কতক্ষন পর ব্রিডিং শুরু হয়? ANS: ১ম ডোজ খাওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ব্রিডিং শুরু হয়ে যায়। 11. যার ঔষুধ খাওয়ার পর একবারও ব্লিডিং হয়ইনি বা কোনো প্রোডাক্ট বের হয়নি তাদের কি করণীয়? Probing Question: ঔষুধ খাওয়ার পর বমি হয়েছিল কি? কখন ঔষধ খেয়েছিলেন? ANS: সাধারণত ১ম ডোজ খাওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ব্লিডিং শুরু হয়ে যায়। তবে কারো কারো ক্ষেত্রে সময়টা একটু বেশি লাগতে পারে। তারা সর্বোচ্চ ৪৮ ঘন্টা/২দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করে দেখবে, এর মধ্যে ব্রিডিং শুরু না হলে ডাক্তার এর পরামর্শ নিবে। যদি ঔষধ বা MM-KIT খাওয়ার পর বমি হয়ে থাকে তবে ডাক্তার এর পরামর্শ নিয়ে আবার ঔষধ খেতে হবে। 12. MR করানোর পর কি কি খাবার খাওয়ানো উচিত? ANS: MR করানোর পর সাধারণত সব খাবার খেতে পারবে তবে পানি, খাবার সেলাইনে, ও ডাবের পানি বেশি করে পান করবে এবং আইরন যুক্ত খাবার যেমন কচু শাক, বেদানা, কাঁচা কলা ইত্যাদি বেশি করে খাবে। 13. এম আর এর ঔষধ বা MM-KIT খাওয়ার নিয়ম কি? ANS: ১ম ডোজ প্রথম দিন ডাক্তার এর কাছে গিয়ে ১টি ট্যাবলেট পানির সাথে গিলে যাবে। ২য় ডোজ: ১ম ডোজ খাওয়ার ২৪ ঘন্টা পর ২য় ডোজ খেতে হবে এতে ৪টা ট্যাবলেট থাকবে যার ২টা ডান গালে ও ২টা বাম গালে অথবা জিহব্ব্যর নিচে রেখে দিতে হবে এবং এই ৪টি ট্যাবলেট সম্পূর্ণ গোলেযেতে ৩০ মিনিট সময় লাগবে। এই সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ((((এটা শুধু এজেন্ট এর জানার জন্য }})}} 14. এম আর সেবা কোথায় কোথায় পাওয়া যায়? ANS: ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যান কেন্দ্র(UN&FAC) মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র (MICWC) উপজেল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মহিলা বিভাগ। জেলা সদর হাসপাতাল এর গাইনি বিভাগ মেডিকেল কলেজ হাসপাজলের গাহীন বিভাগ আর এইচস্টেপ, বাপসা এবং মৌরী স্টোপস এর ক্লিনিক সমূহ 'অনিয়মিত মাসিক এর কল * আমার ১/২ মাস যাবৎ মাসিক হচ্ছে না কি করবো? Probing Question: ১/আপনি কি বিবাহিত? ২/ বয়স কত? ৩/ আপনি কি নিয়মিত স্বামীর সাথে সহবাস করছেন? ৪/ কোনো পদ্ধতি ব্যাবহার করছেন কি না? ৫/ প্রেগন্যান্সি চেক করিয়েছেন? ৬/ এর আগে কি আপনার মাসিক নিয়মিত ছিল? Senerio 1: স্বামীর সাথে সহবাস করে এবং গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এমন মহিলার ক্ষেত্রে: Ans: আপনি দয়াকরে নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে প্রেগন্যান্সি চেক করবেন। যদি আপনি প্রেগন্যান্ট না হন তবে মাসিক কেন হচ্ছে না এই বিষয়ে ডাক্তার এর পরামর্শ নিবেন। Senerio 2: অবিবাহিতদের ক্ষেত্রে অথবা যদি স্বামীর সাথে সহবাস না করে এবং গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে এমন মহিলার ক্ষেত্রে: Ans: কখনো কখনো মাসিক ৩মাসের জন্য বন্ধ থাকতে পারে। আপনি দয়াকরে এই সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, যদি এর মধ্যে মাসিক না হয় তবে আপনি নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে এই বিষয়ে ডাক্তার এর পরামর্শ নিবেন। আমার ৯/১০/১১/১২/১৩/১৪ দিন যাবৎ মাসিক হচ্ছে এখনো বন্ধ হচ্ছে না কি করণীয়? Probing Question: আপনার মাসিক কি আগে নিয়মিত ছিল? আপনি কি কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করছেন? আপনার ব্রিডিং এর পরিমান প্রথম দিনের তুলনায় কমে আসছে না একই রকম রয়েছে? আপনার দৈনিক কয়টা প্যাড চেঞ্জ করা লাগছে? Senerio 1: যদি অল্প বা ফোটা ফোটা রক্ত যায়। আপনি আর ১/২ দিন অপেক্ষা করে দেখুন ব্লিডিং বন্ধ হচ্ছে কি না, যদি ব্রিডিং বন্ধ না হয় তবে ডাক্তার এর পরামর্শ নিবেন। Senerio 2: যদি প্রথম দিনের মতো অনেক ব্লিডিং হয় বা প্যাড চেঞ্জ করা লাগে। আপনি আর দেরি না করে যত শিগ্রই সম্ভব ডাক্তার এর পরামর্শ নিবেন। কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ ১২/১৪ বছর বয়সে মেদের প্রথম মাসিক শুরু হলে এর পরবর্তী সময়ে মাসিক কিছুটা অনিয়মিত হতে পারে। এটা সময়ের সাথে আস্তে আস্তে নিয়মিত হয়ে যায়। তবে মাসিক ৩মাসের বেশি বন্ধ থাকলে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে ডাক্তার এর পরামর্শ নিতে হবে। সন্তান প্রসবের পর প্রথম মাসিক শুরু হলে এর পরবর্তী সময়ে মাসিক কিছু দিন অনিয়মিত হতে পারে। তবে অবশ্যই আগে প্রেগন্যান্সি চেক করতে হবে। যদি ৩মাসের বেশি সময় মাসিক বন্ধ থাকে তবে এটা শারীরিক কোনো জটিলতা বা অসুস্থতার কারণে হতে পারে। এই ক্ষেত্রে যত শিগ্রই সন্তম স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে ডাক্তার এর পরামর্শ নিতে হবে। যদি কোনো জন্ম বিরতিকরণ পদ্ধতি নেয়া হয় তবে পদ্ধতি ব্যবহারের শুরুর দিকে মাসিক বন্ধ থাকতে পারে। যেমন: খাবার বড়ি ইনজেকশন ইমপ্লান্ট ১। আই ইউ ডি কি? -আই ইউ ডি হল জরায়ু তে স্বাপন উপযোগী একটি দীর্ঘ মেয়াদী অস্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি যা কপার টি নামে পরিচিত। সঠিক নিয়মে ব্যাবহার করলে এটি অত্যন্ত কার্যকর। এর মেয়াদ ১০ বছর চাইবে আগেও খুলে ফেলতে পারেন। এটি একটি নন হরমনাল পদ্ধতি। ২।এটি কখন নিতে হয়? -আই ইউ ডি নিতে হলে অবশ্যই একটি জীবিত সন্তান থাকতে হবে। গর্ভবর্তী না হলে এটা যে কোন সময়ে নেয়া যায়। ৩। আই ইউ ডির কার্যকারিতা কখন থেকে শুরু হয়? আই ইউ ডি নেয়ার সাথে সাথেই কার্যকারিতা শুরু হয়ে যায়। ৪। বাচ্চা হওয়ার পর কখন আই ইউ ডি নেয়া যায়? প্রসবের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিতে হবে তা না হলে প্রসবের। সাপ্তাহ পরে। ৫। আই ইউ ডির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কি কি? সামান্য মোচড়ানো ব্যাথা, সামান্য রক্ত স্রাব মাসিকের মধ্যবর্তী সময় স্নক্রठान। ৬। আই ইউ ডি ব্যাবহারে যদি মৃতা বের হয়ে যায় অথবা ভিতরে ঢুকে যায় কি করনীয়? সরাসরি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। প্রজেস্টিন সমৃদ্ধ খাবার বতি/আপন: 1. আপন খাবার বড়ি খাবার নিয়ম কি? আপন খাবার বড়ি বাচ্চা হওয়ার পর পর (৯ ঘন্টার মধ্যে) খাওয়া শুরু করতে হয়। এক পাত্রায় ২৮ সাদা বড়ি যাকে ও প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় একটি করে বড়ি খেতে হবে। সন্তান হওয়ার পর ৬ মাস পর্যন্ত 2. আপন বাড়ির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: মাসিক বন্ধ থাকা, বমি বমি ভাব, মামা ধরা বা ব্যথা করা, ফোটা ফোটা রক্ত যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, স্তন ভারি ভারী বোধ ইত্যাদি। আপন: আপনি কি যক্ষা বা মৃগী রোগ এর ঔষধ ব্যবহার করছেন? আপনার স্তনে কি শত্রু ঢাকা আছে? (যদি কাস্টমার বলে যে তার স্তনে শক্ত ঢাকা অরছে তবে ওই কল ডাক্তার এর কাছে ট্রান্সফার করতে হবে, আর না বললে এজেন্ট নিজেই সার্ভিস দিবে) 4. বড়ি যেতে ভুলে গেলে কি করণীয়? Scenario 1- যদি নির্দিষ্ট সময়ের ৩ঘন্টার মধ্যে মনে পরে তবে মনে পড়ার সাথে সাথে ভুলে যাওয়া বড়ি টি খাবে এবং পাতার বাতি বড়ি গুলো সময় মতো খাবে। Scenario 2- যদি এঘন্টার বেশি ও২৪ ঘণ্টার কম সময় পর্যন্ত বড়ি খেতে ভুলে যায় তবে মনে পড়ার সাথে সাথে ভুলে যাওর বড় টি খাবে এবং ঐদিনের বাড়িটি যথা সময়ে খাবে এবং আগামী ২দিন সহবাসে কনডম ব্যবচার করবে। Scenario 3- যদি ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় পর্যন্ত বাঁড় যেতে ভুলে যায় তবে নতুন পাতা থেকে বড়ি খাওয়া শুরু করবে এবং আগামী দুদিন সহবাসে কনডম ব্যবহার করতে হবে। ৪. আপন বড়ি কখন থেকে কাজ করা শুরু করে? - খাবার বড়ি খাওয়ার ৭দিন পর থেকে কাজ করা শুরু করে। 6. কিছু বেসরকারি প্রজেস্টিন সমৃদ্ধ খাবার বাড়ির নাম? = পপ-ডি, ব্রেডিকন, মিনিকন, লেসিনা, নজেসট্রাল, রোট্রেল। 7. আপন বড়ি খাওায়া অবস্থায় মাসিক কি হবে? -না, আপন বড়ি খাওয়া অবস্থায় মাসিক বন্ধ থাকবে। 1.ECP কখন যেতে হয়? অরক্ষিত সহবাসের ১২০ ঘন্টার মধ্যে ECP খেতে হয়। 2.KCP খাওয়ার পর যদি বমি হয় কি করণীয়? probing Question: ECP খাওয়ার কতক্ষন পর বমি হয়েছে? ANS : যদি ECP খাওয়ার ২ঘন্টার মধ্যে বমি হয় তাহলে পুনরায় নতুন করে ECP ডোজ নিতে হবে। আর যদি ECP খাওয়ার ২ঘন্টার পরে বমি হয় তাহলে আর নতুন করে ECF ডোজ নিতে হবে না। 3. ইসিপি এর প্যাকেটের গায়ে লিবা আছে বুকের দুধ পান করানো অবস্থায় ইসিপি খাওয়ানো এখন আমি ইসিপি যাওয়াবো নাকি যাওয়াবো না? সমাধান- বুকের দুধ পান করানো অবস্থায় অরক্ষিত সহবাস করলে মাকে অবশ্যই ১২০ ঘন্টার মধ্যে চটে খেতে হবে। কারণ ECP ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে অন্যকাস্থিত গর্ভধারণ রোধ করা সম্বভ নয়। তবে যদি এসে খাওয়ার পর বুকের দুধে কোনো অক্রতমা ঘটে জবে সেটার জন্য অক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। আর যেহেতু ECP খাওয়ানোর পর বুকের মুখের ভারতম্য ঘটতে পারে, সেক্ষেত্রে ইসিপি খাওয়ার ব্যাগে বাচ্চাকে ব্লাক্তর দুধ আইয়ে নিতে হবে এবং BCP যাওয়ার পরবর্তী ৪ ঘন্টার মধ্যে বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো যাবে না। (ড. সালেয়) 4. ECP গাওয়ার পর সহবাস করলে কি এটা কাজ করবে? (ECP-3) না, ECP সবসময় সহবাসের পর ৭২ থেকে ১২০ ফটার মধ্যে খেতে হয়। 5. ২ ডোজ এর ECP খাওয়ার নিয়ম কি? -১ম ডোজ যাওয়ার ১২ ঘন্টা পর ২য় ভোজ খেতে হবে। ৫ দিন বা ১২০ ঘন্টার মধ্যে "সিঙ্গেল ভোজ": SX, পিউলি, টিউলিপ, ইউলিকন। ৩ দিন বা ৭২ ঘন্টার মধ্যে "সিঙ্গেল ভোজ"; ই-প্লান মাক্স, ইসি-লিল, এমকন- ১ (১.৫ এম জি), আই-পিস ডিস, নরশিল (১.এ এম জি), সৌফ্রি। 6. কিন্তু ECP এর নাম ও ডোজ এর পরিমান: ৩ দিন বা ৭২ ঘন্টার মধ্যে "ডাবল ডোজ"; নোরিখ, ই-প্লান, এমকন-২ (০.৭৫ এমজি), আই- শিল্প, নরপিস (০.৭৫ এম জি), প্রোসিনর-২, রেনাট্রল, ৭. ২/৩/৪/৫ মাসের বাচ্চা আছে বুকের দুধ পান করে, আমি পদ্ধতি ছাড়া সহবাস করেছি এখন আমি কি ECP খেতে পারবো? -যেহেতু আপনার অরক্ষিত সহবাস হয়ে গেছে সুতরাং এখন একটি ECP খেয়ে নিন তবে মনে রাখতে হবে এটা বার বার খাওয়া যাবে না। তাই আপনি সিগ্রই একটা পদ্ধিতি নিয়ে নিবেন। ৪. এক মাসিক সাইকেল এ কতবার ECP খাওয়া যাবে? = এক মাসিক সাইকেল এ সর্বোচ্চ ২বার ECP খেতে পারবে। এর পরেও যদি ECP খেতে চায় তবে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। 9. ECP এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কি কি? - বমি বমি ভাব, মাথা ব্যথা করা, স্তনে ব্যথা, মাসিক অনিয়মিত। 10. যদি কেউ গর্ভবতী হয় এবং তারপর ECP খায় এতে গর্ভের বাচ্চার কোনো সমস্যা হবে কি? (ECP-9) - গর্ভবতী হয়ে যাওয়ার পর ECP খেলে এটা গর্ভের বাচ্চার উপর কোনো প্রভাব ফেলবে না। ইনজেকশন 1. ইনজেকশন কি? = ইনজেকশন হলো ৩মাস মেয়াদের একটি অস্থায়ী পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি। ইনজেকশন নিতে হলে কমপক্ষে ১টি জীবিত সন্তান থাকতে হবে। 2. সরকারি ইনজেকশন এর নাম কি? স্বস্তি। 3. ইনজেকশন এর চেক লিস্ট কি? আপনার কি উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদ রোগ বা পূর্বে স্ট্রোক হয়ে ছিল? আপনার স্তনে কি শক্ত ঢাকা আছে? (যদি কাস্টমার বলে যে তার স্তনে শক্ত চাকা আছে তবে ওই কল ডাক্তার এর কাছে ট্রান্সফার করতে হবে, আর না বললে এজেন্ট নিজেই সার্ভিস দিবে) 4. বাচ্চা হওয়ার কত দিন পর ইনজেকশন নেয়া যাবে? -৬সপ্তাহ পর ইনজেকশন নেয়া যাবে। 5. ইনজেকশন ছেড়ে দেয়ার কতদিন পর গর্ভধারণ ক্ষমতা ফিরে আসবে? -ইনজেকশন ছেড়ে দেয়ার পর গর্ভধারণ ক্ষমতা ফিরে আসতে ৬-১২ মাস সময় লাগতে পারে। তবে কারো কারো ক্ষেত্রে এর বেশি সময় লাগতে পারে। 6. ইনজেকশন এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কি কি? =মাসিক বন্ধ থাকা বা অনিয়মিত হওয়া, মাথা ধরা, ওজন বৃদ্ধি, ফোটা ফোটা রক্ত যাওয়া, অতিরিক্ত রক্তস্রাব। 7. উইন্ডো পিরিয়ড কি? -ইনজেকশন এর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৪দিন এবং পরের ২৮দিন এই সময়টাকে উইন্ডো পিরিয়ড বলে। ৪. ইনজেকশন এর মেয়াদ শেষ হতে আরো ১০ দিন বাকি আছে এখন আমি দেশের বাহিরে যাবো এখন কি আমি ইনজেকশন এর পরের ডোজ টা নিতে পারবো? -হ্যা নেয়া যাবে, ইনজেকশন এর মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৪দিন আগে পর্যন্ত পরবর্তী ডোজ টি অগ্রিম নেয়া যাবে। 9. ইনজেকশন নেয়ার কতক্ষন পর থেকে এর কার্যকারিতা শুরু হয়? ইনজেকশন নেয়ার ৭দিন পর থেকে এর কার্যকারিতা শুরু হয়। 10. কিছু বেসরকারি ইনজেকশন এর নাম? -মিডোজেন, মিড্রজেস্ট, প্রোভেরা। 11. ইনজেকশন কি বুকের দুধে কোনো তারতম্য ঘটায় কি? =না ইনজেকশন বুকের দুধে কোনো তারতম্য ঘটায় না। 12. ইনজেকশন নিলে কি মাসিক বন্ধ থাকবে? -ইনজেকশন নিলে মাসিক বন্ধ থাকে না তবে কারো কারো ক্ষেত্রে বন্ধ থাকতে পারে? 13. ইনজেকশন নিলে কি ওজন বৃদ্ধি পায়? = একটানা অনেক দিন ইনজেকশন ব্যবহারে ওজন কিছুটা বাড়তে পারে। ইমপ্ল্যান্ট ১। ইমপ্ল্যান্ট কি? -ইমপ্ল্যান্ট হল ছোট দিয়াশলাইর কাঠির মত যা প্লাস্টিক বা সিলিকন রাবারের তৈরি। এটি মেয়েদের বাম হাতের বাহুতে চামড়ার নিচে স্থাপন করা হয়। এটি ৩ থেকে ৫ বছর মেয়াদী অস্থায়ী দীর্ঘমেয়াদি পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি যা সুই প্রয়োগের মাধ্যমে স্থাপন করা হয়। ইমপ্ল্যান্ট প্রতিস্থাপন ব্যাথাবিহীন ও কোন রক্তপাত হবেনা। চাইলে এটি যে কোন সময়ে অপসারন করা যায়।ইমপ্ল্যান্ট খোলার সাথে সাথে গর্ভধারণ ক্ষমতা ফিরে আসে। ২। ইমপ্ল্যান্ট কোন হরমোন সমৃদ্ধ? -ইমপ্ল্যান্ট প্রজেস্টিন হরমন সমৃদ্ধ। ৩। ইমপ্ল্যান্টের কি কি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে? ইমপ্ল্যান্টের তেমন কোন জটিল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।তবে কারো কারো ক্ষেত্রে কিছু কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। যেমনঃ অনিয়মিত মাসিক দুই মাসিকের মাঝে মাঝে ফোঁটা ফোঁটা রক্ত যাওয়া বমি বমি ভাব দীর্ঘ সময় ধরে মাসিক বন্ধ থাকা মাসিক বন্ধ থাকা পেট ও মাথা ব্যাথা বা ঝিম ঝিম করা ওজন পরিবর্তন স্তন ব্যাথা ৪। ইমপ্ল্যান্ট নেয়ার কতক্ষণ পরে কাজ করে? -ইমপ্ল্যান্ট প্রয়োগের ২৪ ঘণ্টা পর থেকে কার্যকারিতা শুরু হয়। ৫। ইমপ্ল্যান্ট এর সেবা কোথায় পাওয়া যায়? • ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র ■ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স • মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র • জেলা সদর হাসপাতাল ৬।১/২ বছরের জন্য কি ইমপ্ল্যান্ট নেয়া যাবে? -ইমপ্ল্যান্টের মেয়াদ ৩-৫ বছর। তবে ১-২ বছর ব্যাবহার করার পর চাইলে ইমপ্ল্যান্ট খুলে ফেলা যায়। ৭ এটার জন্য কি কোন অপারেশন করতে হয়? = না, কোন প্রকার কাঁটা ছেঁড়া ছাড়াই সুই প্রয়োগের মাধ্যমে ব্যাথাবিহীন ও রক্তপাত ছাড়াই ইমপ্ল্যান্ট প্রয়োগ করা যায়। ৮। বাচ্চা প্রসবের কতদিন পর ইমপ্ল্যান্ট নেয়া যায়? = প্রসবের পর পর ইমপ্ল্যান্ট নেয়া যায়। ৯। ইমপ্ল্যান্ট কি বুকের দুধে কোন তারতম্য ঘটায়? -না, ইমপ্ল্যান্টের কারনে বুকের দুধের কোন তারতম্য ঘটেনা। ১০। ইমপ্ল্যান্টের স্থানে ক্ষত হলে কি হবে? সরাসরি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। = ১১। কারো যদি ডায়াবেটিস থাকে শে কি ইমপ্ল্যান্ট নিতে পারবে? -যদি ডায়াবেটিস কন্ট্রোলে থাকে তাহলে গ্রহীতা ইমপ্ল্যান্ট নিতে পারবে। ১২। ইমপ্ল্যান্ট খোলার কতদিন পরে গর্ভধারণ ক্ষমতা ফিরে আসে? -ইমপ্ল্যান্ট খোলার সাথে সাথে গর্ভধারণ ক্ষমতা ফিরে আসে। ১৩। ইমপ্ল্যান্ট এর কি বাহুর ভিতরে ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে? -এটা খুবই নমনীয় তাই এটা ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। ১৪।ইমপ্ল্যান্ট ব্যাবহারের পর মাসিক না হলে আমি কিভাবে বুঝবো যে আমার মাসিক কেন হচ্ছেনা? -এটা বুঝার একমাত্র উপায় হল প্রথমে প্রেগন্যান্সি টেস্ট করে চেক করে নেয়া। যদি আপনি গর্ভবতী না হন তাহলে বুঝতে হবে আপনার ইমপ্ল্যান্ট এর কারনে অথবা অন্য কোন শারীরিক জটিলতার কারনে মাসিক বন্ধ আছে। ১. কনডম কি? = কনডম হল পুরুষদের জন্য অস্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। এটি "দ্বৈত সুরক্ষাও” দিয়ে থাকে অর্থাৎ সঠিক নিয়মে ব্যাবহার করলে জন্মনিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি এইচ আই ভি/এইডস ও অন্যান্য যৌন রোগ থেকে রক্ষা করে। QNS: সরকারি কনডমের নাম নিরাপদ কনডম ANS: নিরাপদ কনডম ৩। সরকারি কনডমের মূল্য কত? =২ টাকায় ২০টি ৪। কনডম কেন ফেটে যায়? = ভালোভাবে না পড়লে, মেয়াদ উরতিরন কনডম ব্যাবহার করলে। করোনা ভাইরাস/ কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন মহামারি নিয়ন্ত্রণে আনার অংশ হিসেবে বিশ্বজুড়েই গণ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। বাংলাদেশেও করোনা টীকা দেয়া শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে ২৭ শে জানুয়ারি কুরমিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ সেবিকা রুনু ভেরনিকা কস্তা প্রথম করোনা ভ্যাকসিন গ্রহন করেন। বাংলাদেশে কোন টীকা দেয়া হচ্ছে? বাংলাদেশে যে টিকা দেওয়া হচ্ছে, তা যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড- অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড। তবে টিকাটি বাণিজ্যিকভাবে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদন করার অনুমতি পেয়েছে। সেরাম ইনস্টিটিউট বিশ্বের বৃহত্তম টিকা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। টীকাটি দুটি ডোজে দেয়া হয়। প্রথম ডোজের ৮ সপ্তাহ/২ মাস পরে দ্বিতীয় ডোজের টীকা দেয়া হয়। টিকার জন্য নিবন্ধন করতে হবে এবং টীকা দেয়ার জন্য নিবন্ধিত গ্রহিতাকে হলে কার্ড দেয়া হয়। করোনার টিকা দেওয়ার পর যথেষ্ট রোগ প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে উঠতে খানিকটা সময় লাগতে পারে। তাই টিকা দেওয়ার পরও করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত। বিজ্ঞানীরা বলছেন, টিকা দেওয়ার পরও মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বা সংক্রমিত হতে পারে, তবে আক্রান্ত হলেও গুরুতর অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে। কোভিড-১৯ টীকা প্রদান সহায়িকা/গাইডলাইন ১।কোভিড-১৯ টাকা কাদের দেয়া হবে? টিকা নেয়ার ক্ষেত্রে প্রথম পর্যায়ে ১৭টি ক্যাটাগরির নাগরিকদের নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথমে তাদের টিকা নেয়ার পরে অন্যরা টিকা নেয়ার সুযোগ পাবেন।। এই ১৭টি ক্যাটাগরির মধ্যে রয়েছে: সরকারি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মী, বেসরকারি ও প্রাইভেট স্বাস্থ্যকর্মী, প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত সকল সরকারি- বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা কর্মী, মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনা, সম্মুখ সারির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য, রাষ্ট্র পরিচালনায় অপরিহার্য কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম-কর্মী, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী, ধর্মীয় প্রতিনিধি, সৎকারকাজে নিয়োজিত ব্যক্তি, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও ফায়ার সার্ভিসের মতো জরুরি সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি, নৌ-রেল-বিমানবন্দরে কর্মরত ব্যক্তি, ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জেলা-উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সরকারি কার্যালয়ে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রবাসী অদক্ষ শ্রমিক। • পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অধীনে কর্মরত পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও কর্মচারী( FWV/FWA). প্যারামেডিক (SACMO), সেবিকা, ধাত্রি চিকিৎসক • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যাদের কম তারা টীকা দানে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। যেমন- ডায়াবেটিক রগি, প্রেশারের রোগী, লিভারে আক্রান্ত রোগী, কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত রোগী। ২। কাদের টীকা দেয়া যাবেনা? • রেজিস্ট্রেশনকৃত/লাইন লিস্টিং-এর অর্ন্তভুক্ত তালিকার উদ্দিষ্ট জনগোষ্ঠী ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তিকে কোভিড টিকা দেয়া যাবে না। ১৮ বছরের নীচে, গর্ভবতী মা এবং দুগ্ধদানকারী মা, অসুস্থ ও হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ব্যক্তি। পরবর্তীতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্র থেকে টিকা নিতে অনুরোধ করতে হবে। ব্যক্তির ইচ্ছার বিরুদ্ধে টিকা দেয়া যাবে না। । গর্ভবতী মা কি কোভিড-১৯ টিকা পাবেন? ৩ - গর্ভবর্তী মহিলাদের আপাতত কোডিড-১৯ টিকা প্রদান করা হবে না। ৪। বুকের দুধ পান করাচ্ছেন এমন মা কি কোডিড-১৯ টীকা নিতে পারবেন? • যে মায়েরা বুকের দুধ পান করাচ্ছেন তারা আপাতাত টীকা নিতে পারবেন না। ৫। যারা পরিবার পরিকল্পনার কোন পদ্ধতিতে আছেন তারা কি কোভিড-১৯ এর টীকা নিতে পারবেন? • জি, অগ্রাধিকার অনুযায়ী নিতে পারবেন। ৬। টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কি কি আছে? অন্য সকল ঔষধ কিংবা টিকার মতো এই টিকারও কিছু পার্শ্ব- প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেগুলো খুবই মৃদু হয়ে থাকে যেমন- টিকার স্থানে বাধা, ফোলা, লালচে ভাব, মাংশপেশী ও অস্থিসন্ধিতে বাধা, দুর্বলতা, বমি বমি ভাব, আজ্বর, ক্লান্তি ইত্যাদি। ক্লিনিকাল ট্রায়াল হতে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী এখনও পর্যন্ত মারাত্মক কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানা যায়নি। তবে আপনার যে কোন সমস্যা হলে অবশ্যই দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যান এবং চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহন করুন। গর্ভকালীন সেবা ও জটিলতা 1. গর্ভকালীন চেক-আপ কয়টি ও কখন কখন? ANS: গর্ভকালীন চেক-আপ ৪টি: প্রথম চেক-আপ ৪ মাসের মধ্যে যত দ্রুত সম্ভব, দ্বিতীয় চেক-আপ ৬ বা ৭ মাসে, তৃতীয় চেক-আপ ৮ মাসে, চুতুর্থ চেক-আপ ৯ মাসে। 2. গর্ভবতী মায়ের কি কি খাবার খাওয়া উচিৎ? ANS: ১/ শক্তিদায়ক খাবার: ভাত, রুটি, আলু, মিষ্টি আলু, নারিকেল, তেল ও চিনি। ২/ শরীর বর্ধক খাবার: দুধ, ডিম, মাছ, মাংস, সিম, সিমের বিচ্চি,। ৩/ রোগ প্রতিরোধকারী খাবার শাকসবজি, পুঁইশাক, কচুশাক, কাঁচাকলা, ঢেঁড়শ, পাকা কলা, আম, পেয়ারা, ((((((স্বাভাবিক এর চেয়ে এক মুঠো বেশি খাবে ও পর্যাপ্ত পানি পান করবে)))))) 3. গর্ভবতী মায়ের কি কি খাবার খাওয়া উচিৎ নয়? ANS: পেঁপে ও আনারস না খাওয়াই ভালো। কারণ কারো কারো ক্ষেত্রে এগুলো খেলে গর্ভপাত ঘটাতে পারে। 4. গর্ভকালীন বিপদ চিহ্ন গুলো কি কি? ANS: গর্ভকালীন ৫টি বিপদ চিহ্ন রয়েছে: ১/ রক্তস্রাব, ২/ভীষণ জ্বর,৩/ মাথা ব্যথা ও চোখে ঝাপসা দেখা, ৪/খিঁচুনি, ৫/বিলম্বিত প্রসব। ((((((মনে রাখতে হবে গর্ভকালীন সময় যোনিপথে সামান্য পরিমান রক্ত বের হওয়া বিপদজনক, এই ক্ষেত্রে সাথে সাথে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যেতে হবে))))) 5. পায়ে পানি জমা বা পা ফুলে যাওয়ায় কি করণীয়? Probing Question: কত দিনের সমস্যা? কত দিনের গর্ভবতী? ANS: চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই, এমন হতেই পারে, রেস্টে থাকবে, পা বালিশের উপর দিয়ে ঘুমাবে, অতিরিক্ত লবণ ভাতের সাথে খাবে না। অবশ্যই রেস্টে থাকবে। 6. উপর পেটে ব্যাথা, গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা, বুক জ্বালা পোড়া করলে কি করণীয়? Probing Question: আগে থেকেই কি এই সমস্যা নাকি গর্ভবতী হওয়ার পর এই সমস্যা? কতদিনের গর্ভবতী? কোন ওষুধ খান কিনা? বেশি সমস্যা তৈরি করছে কি? ANS: স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে ডাক্তার এর পরামর্শ নিবে। 7. পা ও তলপেট ব্যাথা কি করবে? Probing Question: পেট ব্যথার সাথে আপনার ব্লিডিং বা পানি ভাঙে কি না? কতদিনের গর্ভবতী? Senario 1: ৬মাস বা এর বেশি গর্ভবতী হলে: ANS: তলপেট ব্যথা: গর্ভবস্থায় ৬ মাস পর তলপেট ব্যথা হওয়া একটি স্বাভাবিক বিষয়, এতে ভয় পাওয়ার কিছু নাই। তবে ৬মাসের আগে যদি তলপেটে ব্যথা হয় সেই ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তার এর সাথেযোগাযোগ করতে হয়। পা ব্যথা: পা ব্যথা মূলত ক্যালসিয়ামের অভাবে হয়। তাই শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়া, রাতে পা ঢেকে শোয়া এবং ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট গ্রহণ করলে এই সমস্যা কমাতে পারে। Senario 2: ৬মাস বা এর কম সময় গর্ভবতী হলে: ANS: স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে ডাক্তার এর পরামর্শ নিবে। ৪. গর্ভবতী মায়ের কি কি পরামর্শ রয়েছে? ANA: গর্ভবতী মায়ের জন্য পরামর্শ: গর্ভবতী মায়ের বিশ্রাম (রাতে ৮ ঘণ্টা দিনে ২ ঘণ্টা) গর্ভবতী মায়ের খাদ্য (যা খাবে পরিমানের চেয়ে একমুঠো বা একচামুচ বেশি খাবে) পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা (যোনিপথ ও গোপনাঙ্গ পরিষ্কার করবে এবং পরিষ্কার কাপড় পরবে। গর্ভকালীন ব্যায়াম--(বাসার হালকা কাজ করবে ও একটু হাঁটাচলা করা) পরিবারের সহযোগিতা--(পরিবারের সদস্যরা তাকে মানসিক ভাবে সহযোগিতা করবে। নিয়মিত গর্ভাবস্থার চেক-আপ।--- (৪টি চেক আপা) এই বিষয় গুলো যেন খেয়াল রাখা হয় তার পরামর্শ দিবেন। 9. গর্ভবস্থায় কোন কোন কাজ করা যাবে না? সেগুলো হলো: *গর্ভবতী মাকে কখনোই কোনো ঔষধ ডাক্তার এর পরামর্শ ছাড়া দেয়া যাবে না। • গর্ভবস্থায় পেটে মালিশ করা যাবে না। *গর্ভবস্থায় বেল্ট বাধা বা টাইট পোশাক পড়া যাবে না। •ভারী কাজ করা যাবে না। *প্রথম ৩মাস ও শেষের ৩মাস দীর্ঘ ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে হবে। *প্রথম ৩ মাস ও শেষের ৩ মাস সহবাস না করা উত্তম। ((যে মহিলার আগের বাচ্চা নষ্ট হয়েছে তাদের দীর্ঘ ভ্রমণ এবং স্বামী সহবাস একেবারে না করাই উত্তম))) 10. পেটে বাচ্চা নড়ছে না কি করণীয়? Probing Question: আপনার কত মাস চলছে? কতক্ষন থেকে এই সমস্যা হচ্ছে ?আর বাচ্চা কি একদম নড়ছে না? পেট শক্ত হয়ে গেছে কি না? ANS: সাধারণত ৫ মাস বয়স থেকে বাচ্চা পেটের ভেতর নরা চড়া শুরু করে। আর দৈনিক ১০ থেকে ১২ বার নরা চড়া করাটা স্বাভাবিক। আপনি কিছুক্ষন বামকাত হয়ে শুয়ে দেখুন বাচ্চার নড়াচড়া স্বাভাবিক হচ্ছে কি না। যদি এতেও বাচ্চার নড়াচড়া স্বাভাবিক না হয় তবে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করবেন। (বি দ্রঃ যদি পেট শক্ত হয়ে থাকে তবে দেরি না করে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করবে)) 11. গর্ভকালীন সেবা কোথায় করা হয়? ANS: ইউনিয়ন স্বাস্থ ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্স, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, জেলা সদর হাসপাতাল | 12. কোস্টকাঠিন্য (Constipation) সমস্যা হলে করণীয়? Probing Question: কতদিনের সমস্যা? কতদিনের গর্ভবতী? ANS: যদি গর্ভবতী হওয়ার পর কোস্টকাঠিন্য সমস্যা শুরু হয় তবে ফলমূল খাবে, ইউসুফগুলের ভূষি খাবে রাতে, শাকসবজি খাবে। আর যদি কোস্টকাঠিন্য সমস্যা আগেথেকেই থাকে তবে ডাক্তার এর পরামর্শ নিবে। 13. কোমরে ব্যথা (Backache) কি করণীয়? Probing Question: আপনি কতদিনের গর্ভবতী? কতদিন ধরে ব্যাথা? ANS: যদি ব্যাথা সহ্যসীমার বাহিরে চলে যায় তাহলে ডক্তার এর পরামর্শ নিবে। তবে প্রথম তিনমাস এই ব্যাথা স্বাভাবিক, তলপেট একটু ভারী মনে হওয়ার কারনে কোমরে ব্যাথা করতে পারে। ((((বি দ্রঃ প্রথম ৩ মাস ভারী কোনো কাজ করতে গিয়ে যদি কোমর ব্যথা হয় তবে পুরোপুরি বেড-রেস্ট এ থাকতে হবে)) 14. মাসিকের রাস্তায় ব্যাথা কি করণীয়? Probing Question: আপনি কতদিনের গর্ভবতী? ব্যাথা কম নাকি বেশি? ANS: যদি ব্যাথা সহ্যসীমার বাহিরে চলে যায় তাহলে ডক্তার এর পরামর্শ নিবে। তবে প্রথম তিনমাস এই ব্যাথা স্বাভাবিক। 15. গর্ভকালীন কয়টি টিকা নিতে হয়? ANS: গর্ভকালে ২টা টিটি টিকা নিতে হয়। প্রথম টিকা গর্ভকালীন ৫ম মাসে ও দ্বিতীয় টিকা গর্ভকালীন ৬ষ্ঠ মাসে নিতে হয়। আপনি যদি কোনো টিকা না দিয়া থাকেন তবে ৫ম ও ৬ষ্ঠ মাসে দুটো প্রথম ও দ্বিতীয় টিকা দিতে পারেন। অথবা ৭ম মাসেও টিকা দেয়া যায়। Senario 1: আমি কি ৮ম মাসে ১ম টিকা দিতে পারবো? ANS: গর্ভকালীন অবস্থায় প্রথম ৪ মাস এবং ৮ম ও ৯ম মাস কোনো টিকা দেয়া যায় না। সেই ক্ষেত্রে আপনাকে বাচ্চা হওয়ার পর টিকা দিতে হবে। Senario 2: আমি যদি আগে ৩টি টিকা দিয়া থাকি তবে গর্ভবস্থায় ৪থ টিকা টি দিতে পারবো? ANS: জি পারবেন, তবে যদি ৫ম ৬ষ্ঠ ও ৭ম মাসের মধ্যে হয় তবেই টিকা দিতে পারবেন। তা না হলে বাচ্চা হওয়ার ৪২ দিন পর পরের ডোস টি দেয়া ভালো। 16. গর্ভবস্থায় মাথাব্যথা, জ্বর, পানিভাঙা, কাশি হলে কি করণীয়? ANS: স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে ডাক্তার এর পরামর্শ নিবে। 17. পেটের বাচ্চা ছেলে না মেয়ে কত দিন পর বুঝা যায়? ANS:১৮-২২ সপ্তাহের মধ্যে বুঝা যায়। 18. বাচ্চার ডেলিভারি ডেট পার হয়ে গেলে বা ডেলিভারি ডেট এর আগে কল করলে কি করণীয়? Probing Question: ডেলিভারি ডেট কবে ছিল? পানি ভাঙসে কি না? রক্ত বের হচ্ছে কি? বাচ্চা নরা-চরা স্বাভাবি কি না? Senario 1: ডেলিভারি ডেট পার হয়ে গেলে: ANS: আপনি যত দ্রুত সম্ভব স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করবেন। আর যদি পারেন একজন ব্লাড ডোনার/ রক্ত দাতা আগে থেকে জোগাড় করে রাখবেন। ((((((অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডেলিভারি ডেট পার হয়ে গেলে সিজার এর মাদ্ধমে বাচ্চার ডেলিভারি করতে হয়, তাই তখন রক্তর প্রয়োজন পরে)))))) Senario 2: ডেলিভারি ডেট এর আগে কল করলে: ANS: আপনি দয়া করে ডেলিভারি ডেট এর সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করুন এবং এর মধ্যে পানি ভাঙসে কি না, রক্ত বের হচ্ছে কি না, বাচ্চা নরা-চরা স্বাভাবি কি না, এই বিষয় গুলো খেয়াল রাখবেন। আর যদি এর কোনো একটা সমস্যা দেখা দেয় তবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন। 19. গর্ভবস্থায় যদি পাতলা পায়খানা হয় কি করণীয়: Probing Question: কবে থেকে হচ্ছে? দিনে কত বার হচ্ছে? প্রসাবের রং হলুদ বা প্রসাব কম হয় কি না? পায়খানার সাথে কি রক্ত যাচ্ছে? পাতলা পায়খানা সাথে জ্বর আছে কি? Senario 1: যেদিন পাতলা পায়খানা শুরু হয়েছে সেদিন কল করলে: ANS: আপনি সর্বোচ্চ ২৪ ঘন্টা অপেক্ষা করে দেখুন কমছে কি না, সেই সাথে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে, প্রত্যেক বার পায়খানার পর খাবার সেলাইন খেতে হবে, এবং পারলে ডাবের পানি পান করবে। বি দ্রঃ তবে যদি পাতলা পায়খানার সাথে রক্ত বের হয় বা জ্বর থাকে তবে অপেক্ষা না করে সাথে সাথেই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। Senario 2: যদি পাতলা পায়খানা শুরু হওয়ার ১দিন বা ২দিন পর কল করে: ANS: আপনি আর অপেক্ষা না করে যত সিগ্রই সম্ভব স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। এর পাশাপাশি যা করতে হবে, পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে, প্রত্যেক বার পায়খানার পর খাবার সেলাইন খেতে হবে, এবং পারলে ডাবের পানি পান করবে। বি দ্রঃ পাতলা পায়খানার সময় যদি প্রসবের রং হলুদ হয় বা প্রসাব কম হয় তার মানে গর্ভবর্তী মহিলার শরীরে পানির স্বল্পতা দেখা দিয়েছে তাই তাকে প্রচুর পানি পান করতে হবে)) ((((((ভবিষ্যতে এটা আরো আপডেট হতে পারে )))))) Created by Ferdous (QA) গর্ভবর্তী/স্তন্যদানকারী নারীদের কোডিড-১৯ টীকা প্রদান সক্রান্ত দিক নির্দেশনা প্রসঙ্গেঃ সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও কোভিড-১৯ মহামারী ছড়িয়ে পড়েছে। তাই সকলের ন্যায় গর্ভবতী মা ও স্তন্যদানকারী নারিদের মধ্যেও করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক হারে বেড়েছে। বিষয়টি বিবেচনা করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার টিীকা বিষয়ক জাতীয় কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী গর্ভবর্তী মা ও স্তনাদানকারী নারীদের কোভিড টীকা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রধন করেছেন। এমতাবস্থায় উক্ত জনগোষ্ঠীকে কোভিড-১৯ টাকা প্রদানের ক্ষেত্রে অবশ্যই পালনীয় কিছু নির্দেশনা পালনের জন্য বলা হয়েছে। • গর্ভবর্তী নারীদের কোডিড-১৯ টীকা প্রদানের পূর্বে করনীয়ঃ • সাধারন নির্দেশাবলীঃ ১।গর্ভবর্তী নারীগণকে সুরক্ষা ওয়েব পোর্টাল/অ্যাপস এর মাদ্যমে রেজিস্ট্রেশান সম্পন্ন করে গর্ভবর্তী নারীকে টীকা প্রদান করতে হবে। ২। টীকা প্রদানের পূর্বে টীকাকেন্দ্রের বেজিস্টার্ড চিকিৎসক দ্বারা কাউন্সেলিং সম্পন্ন করে গর্ভবর্তী নারীকে টীকা প্রদান করতে হবে। শর্তাবলীঃ ১।গর্ভবতী নারী টীকা গ্রহনের দিন অসুস্থা থাকলে তাকে কোভিড-১৯ টিীকা প্রদান করা যাবেলা ২। অনিয়ন্ত্রিত দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত হলে গর্ভবতী নারীকে কোভিড-১৯ টীকা প্রদান করা যাবেনা। ৩।কোন গর্ভবর্তী নারির ভ্যাকসিন এলারজির পূর্ব ইতিহাস থাকলে তাকে কোভিড-১৯ টাকা প্রদান করা যাবে না। ৪।কোন গর্ভবতী নারী যদি কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিনের ১ম ডোজ গ্রহনের পর এইএফআই কেস হিসেবে শনাক্ত হন তবে তাকে ২য় ডোজ প্রদান করা যাবেনা। ৫।সম্মতিপত্রে নিকাগ্রহীতা ভাইবাল্য অভিভাবক ও কাউন্সেলিং চিকিৎসকের স্বাক্ষর ব্যাতিত টীকা প্রদান করা যাবেনা। কোভিড-১৯ টীকা গ্রহণে ইচ্ছুক গর্ভবতী নারীকে অবশ্যই টীকা গ্রহনের আগে নিম্নোক্ত তথ্যাদি একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসক দ্বারা বারবার অবহিত করতে হবে। • প্রার্ভবর্তী নারীদেরকে গরভাবস্থায় কোচিংড-১১৯সামাতের স্বাস্থ্য ঝুঁকি সম্পর্কে অবহিতকরন। ✓ নির্ধারিত সময়য়ের আগেই সন্তান জন্মদান অপরিনত নবংঙ্কাতক। এর সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়! নবজাতকের স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। ব্যাঙ্ক গর্ভবতী ৩৫ বছরের উপরে যাদের বয়স, উচ্চ বিএমআই সম্পন্ন (যারা ভারী শরীরের অধিকারী, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত নারী গরভাবস্থায় বিশেষ করে ১ম ও ২য় ট্রাইমেস্টার। কারোনায় আক্রান্ত হলে মারাত্মক রূপ নিতে পারে। এক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। ✓ সাধারন নারীদের তুলনায় গর্ভবতী মায়েরা করোনায় আক্রান্ত হলে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা অনেক বেশি। * গর্ভবতী নারীকে কোভিড-১৯ টিকার সুফল সম্পর্কে অবহিতকরণঃ • সেলিড-১৯ টিকা গ্রহন করলে করোনায় আক্রান্ত হওয়া ও এর ফলে সৃষ্ট জটিলতার ঝুঁকি অপেক্ষাকৃত কুম। • গর্ভাবস্থায় কোজিড-১২০টিতে বহন করলে করোনার কারনে সৃষ্ট ঝাকিসমূহের সম্ভাবনা কম। * গর্ভাবস্থায় কোভিড-১৯ টিকা গ্রহনের ক্ষতিকর প্রভাবঃ • সার্ভবতী নারীদের প্রসিদ্ধ তিকা গ্রহনের বাংল ক্ষতি সম্পর্কে তথ্য অপ্রতুল। • অন্য যে কোন টিকার ন্যায় কোভিড-১৯ টিকার ঢাকা পরবর্তী বিরুপ প্রতিক্রিল্যা। এই এফআই। হতে পারে যা অন্য নারাদের মতো সর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে •সীরথিয়াটীন্দ্রলার সম্পর্কিত কোন তথ্য নেই। তবে মনে রাখতে হবে উপরোক্ত নির্দেশনা মানার পরেই সম্মতিপত্রে গর্ভবতী নারী ও রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের স্বাক্ষর গ্রহন পর্বক টীকা প্রদান করতে হবে। > অন্যদানকারী নারীদের কোভিড-১৯ টিকা প্রদানের পর্বে করনিয়ঃ স্তন্যদানকারী নারীদের কোভিও-১১৯ টিকা প্রদান করার বিশেষ কোন বাধ্যবাধকতা নেই। এক্ষেত্রে অন্যান্য সবার মতই বিদ্যমান টিয়ায়াটে ছেলে কারে চটীকা প্রদ বারবেও হবে। উপরোক্ত নিরদেশনাবলি গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের টীকাদান কর্মসূচী ইপিআই।, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আদেশ অনুযায়ী তৈরি। "নিম্ন সুমি" যাবার বড়ি খাওয়ার চেকলিস্টঃ পায়ের শিরা বা বগ ফোলা কিনা? পা ফোলা আছে কিনা? - প্রেশারের ওষুধ থান কিনা? (যদি প্রেশারের ওষুধ খাওয়ার পরে প্রেশার কন্ট্রোলে থাকে (১৩০/৮০) তাহলে খাবার বড়ি খেতে পারবে ভিক্ত কন্ট্রোলে না থাকলে যাবার বড়ি খাবেনা।) লিভাবের। অভিস জনিত সমস্যা আছে কিনা? ডায়াবেটিসের সমস্যা আছে কিনা? > স্ট্রোকের ক্ষেত্রে প্রশ্ন করতে হবে শরীবের কোন পাশ অবশ হয়ে গিয়েদে কিনা? যজ্ঞা বা মৃগী রোগের সমস্যা আছে কিনা? হার্টের সমস্যা আছে কিনা? হাটের ওষুধ যাচ্ছেন কিনা? হার্টের কোন অপারেশন হয়েছে কিনা? মাইগ্রেনের সমস্যা আছে কিনা? লক্ষণ-মাইগ্রেন থাকলে তীর মাখা ব্যাথা হবে সাথে বমি বমি ভাব হবে না বমিও হতে পারে।) যারা বাচ্চাকে শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়াচ্ছে তারা মিত্র খাবার বড়ি খাবেনা (৬মাস পর্যন্ত) আপনার স্তনে কি পড় ঢাকা আমে কিনা? (৪নে শক্ত ঢাকা থাকলে কস চিকিৎসকের কামে ট্রান্সফার করতে হবে) "উপবোজ সমস্যার একটি থাকলেও গ্রহীতা খাবার বড়ি সেবন করতে পারবেন না।" (পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া) গায়ে ব্যাথা (ছুড়ি দিয়ে আঘাত করছে এমন ধরনের তীর ব্যাখা) মাপর খাবার বড়ি খাওয়ার চেকলিস্ট। আপনি কি যদ্মা বা মৃগী রোগের ওষুধ সেবন করছেন। আপনার ছলে কি শক্ত ঢাকা আছে কিনা? (শুনে শক্ত ঢাকা থাকলে কল চিকিৎসকের কাছে ট্রান্সফার করতে হবে। ইনজেকশন নেয়ার চেকলিস্ট: • প্রেশারের ওষুধ খাচ্ছে কিনা? (প্রেশারের ওষুধ খেলে ইনজেকশন নিতে পারবেনা।) পায়ের শিরা বা রগ ফোলা কিনা? পা ফোলা আছে কিনা? • জন্ডিস বা লিভাবের সমস্যা আছে কিনা? • যোনিপথ দিয়ে রক্ত যায় কিনা? • স্কুল শরীরের অধিকারি কিনা? আপনার স্তনে কি শক্ত চাকা আছে কিনা? (স্তনে শক্ত চাকা থাকলে কল চিকিৎসকের কাছে ট্রান্সফার করতে হবে) "উপরোক্ত সমস্যার একটি থাকলেও গ্রহীতা ইনজেকশন নিতে পারবেনা।" টিটি টিকা এর Update টিটি টিকা নেয়ার নিয়ম কি? • ১ম ডোজ এর ২৮ দিন পর ২য় ডোজ, ২য় ডোজ এর ৬ মাস পর ৩য় ডোজ, ৩য় ডোজ এর ১বছর পর ৪র্থ ডোজ, • ৪থ ডোজ এর ১বছর পর ৫ম ডোজ, Scenario 1- টিটি টিকা পুরো লাইফ সাইকেল এ ৫ টি ডোজই দিবে। (অবশ্যই কার্ড থাকা লাগবে) Scenario 2- পূর্বে যদি ৫ টি ডোজ সবগুলো দেওয়া থাকলে গর্ভকালে আর কোনো টিকা দেওয়া লাগবে না। Scenario 3- পূর্বে যদি ২ টি ডোজ দেওয়া থাকে গর্ভকালীন সময়ে কয়টা দিবে? যদি কার্ড থাকে সেক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী ৩য় ডোজ দিবে। যদি কার্ড না থাকে তবে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে ডাক্তার এর কাছ থেকে জেনে নিতে হবে কয়টা নিবে। প্রসব পরবর্তী সেবা ১। বাচ্চা হবার কত দিন পর সহবাস করা যাবে? সমাধান বাচ্চা হবার ৪২ দিন পর থেকে সহবাস করা যাবে। তবে প্রসবের পর থেকে পরবর্তী ৪২ দিন পর্যন্ত সহবাস না করা উত্তম হবে, কেননা এ সময়ে মায়ের জরায়ুতে ইনফেকশান হবার ঝুঁকি থাকে। ২। বাচ্চা হবার কত দিন পর গর্ভধারণ ক্ষমতা ফায়ার আসে? সমাধান- ২১ দিন পর গর্ভধারণ ক্ষমতা ফিরে আসে। তাই যদি কেউ ২১ দিন পর সহবাস করে তবে তাকে অবশ্যই যে কোনো একটি পদ্ধতি বাবহার করতে হবে। আমার প্রসাবে জ্বালাপোড়া হচ্ছে কি করণীয়? Probing Question: কবে থেকে প্রসাবে জ্বালাপোড়া শুরু হয়েছে? জ্বালাপোড়ার সথে কি চুলকোনি আছে? প্রসাবে দুর্ঘন্ধ হয় কি না? জ্বর ও পেটে ব্যথা রয়েছে কি না? Senerio 1: যদি জ্বর ও পেটে ব্যথা না থাকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। প্রচুর পরিমানে পানি পান করবে, ফলের জুস্, ডাবের পানি অথবা চাইলে খাবার স্যালাইন খেতে পারে। এভাবে ২/৩ দিন অপেক্ষা করে দেখবে যদি এতেও প্রসাবে জ্বালাপোড়া না কমে তবে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। Senerio 2: যদি জ্বর ও পেটে ব্যথা থাকে: * যদি জ্বর এর পাশা পাশি তার হাচ্চি, কাশি, শ্বাসকষ্ট অথবা ডায়রিয়া থাকে তবে এগুলো করোনার লক্ষণ তাই তাকে ১৬২৬৩ নম্বর এ কল করতে বলবো। * যদি জ্বর এর পাশা পাশি তার হাদি, কাশি, শ্বাসকষ্ট অথবা ডায়রিয়া না থাকে তবে তাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে বলবো। সেই সাথে প্রচুর পরিমানে পানি পান করবে, ফলের জুস, ডাবের পানি অথবা চাইলে খাবার স্যালাইন খেতে পারে এবং যত দ্রুত সম্ভব স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। বিভিন্ন প্রকের বেসরকারি খাবার বড়ির নাম ও ডোজের সংখ্যা: পদ্ধতি ডোজের সংখ্যা বেসরকারি বড়ির নাম মিশ্র খাবার বড়ি / সুখী • ২৮ টি নরডেট ২৮, মিনি ২৮, ফেমিকন, ফেমিপিল, রোজেন ২৮, এলাইসা, ২৮- জেসটপ ২৮, লেডিফার, লিভোনাইল ২৮, লিভোপিল, লেটা ২৮, নরজেস্ট, ওভরেস্ট, নরেট ২৮, কনরিনা- আর, • ২১ টি মাইপিল, মারভেলন, নোভেলন, রেগুমেন, ডেসলন, মাইক্রলন, ডাইনোজেস্ট প্লাস, গায়ান ৩৫, কেপটিভা। • ২২ টি ওভস্ট্যাট গোল্ড, ওভাকন গোল্ড, লিওস্টেট গোল্ড, ল্যনেস। • ২৪ টি নভেলন লাইট। শুধু প্রজিস্ট্রিন সমৃদ্ধ খাবার বড়ি / আপন • ২৮ টি পপ-ডি, ব্রেডিকন, মিনিকন, লেসিনা, নজেসট্রাল, রেনাট্রেল। ECP ১২০ ঘণ্টার সিঙ্গেল ডোেজ/১ টি ডোজ পিউলি, টিউলিপ, ইউলিকন, 5XI ৭২ ঘণ্টার সিঙ্গেল ডোজ/১টি ডোজ এমকন-১ (১.৫ এম জি), আই-পিল, ডিস, নরপিল (১.৫ এম জি), সেটফ্রি ই-প্লান মাক্স, ইসি-পিল,। ৭২ ঘণ্টার সিঙ্গেল ডোজ/১টি ডোজ নোরিস্ক, এমকন-২ (০.৭৫ এম জি), আই-পিল, নরপিল (০.৭৫ এম জি), প্রোস্টিনর-২, রেনাট্রিল, ই-প্লান,। বিঃ দ্রঃ "নরমেন্স" কোনো জন্ম বিরতিকরণ খাবার বড়ি না, সাধারণত মেয়েদের মাসিক অনিয়মিত হলে ডাক্তার এই ঔষধ টা দিয়ে থাকে তাদের মাসিক নিয়মিত করার জন্য। মিশ্র বা সুখী খাবার বড়ি: 1. মিশ্র ও সুখী খাবার বড়ি খাওয়ার নিয়ম: সুখী বা ২৮টি বড়ির নিয়ম: খাবার বড়ি খাবার সবচেয়ে ভালো সময় মাসিকের ১ম দিন থেকে। প্রত্যেকদিন একটি নির্দিষ্ট সময় একটি করে বড়ি খাবে ২৮ দিন পর্যন্ত এবং পাতা শেষ হয়ে গেলে পরের দিন থেকে আবার নতুন পাতা শুরু করতে হবে। যদি মাসিকের ১ম দিন বাদে অন্য যেকোনো দিন থেকে বড়ি খাওয়া সুরু করে তবে বড়ি খাওয়ার পাশাপাশি আগামী ৭ দিন কনডম ব্যবহার করতে হবে অথবা ৭দিন সহবাস থেকে বিরত থাকতে হবে। ২১টি বড়ির নিয়ম: খাবার বড়ি খাবার সবচেয়ে ভালো সময় মাসিকের ১ম দিন থেকে। প্রত্যেকদিন একটি নির্দিষ্ট সময় একটি করে বড়ি খাবে ২১ দিন পর্যন্ত। ২১টি বড়ি শেষ হয়ে গেলে মাসিকের জন্য অপেক্ষা করবে এবং যে দিন মাসিক শুরু হবে সে দিন থেকে আবার নতুন পাতা শুরু করতে হবে। ((((২১ টি বড়ি শেষ হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৭দিন পর্যন্ত মাসিকের জন্য অপেক্ষা করতে হবে যদি এর মধ্যে মাসিক না হয় তবে ৭দিন পর থেকে নতুন পাতা শুরু করতে হবে)))) 2. চেক লিস্ট, মিশ্র খাবার বড়ি / সুখী: আপনার কি উচ্চ রক্তচাপ, জন্ডিস, মাইগ্রেন অথবা ডায়বেটিক এর সমস্যা আছে? আপনার কি হৃদ রোগ বা পূর্বে স্ট্রোক হয়ে ছিল? আপনি কি যক্ষা বা মৃগী রোগ এর ঔষধ ব্যবহার করছেন? আপনার স্তনে কি শক্ত চাকা আছে? (যদি কাস্টমার বলে যে তার স্তনে শক্ত চাকা আছে তবে ওই কল ডাক্তার এর কাছে ট্রান্সফার করতে হবে, আর না বললে এজেন্ট নিজেই সার্ভিস দিবে) (( যদি কোনো মহিলার বয়স ৩৫ বা তার বেশি হয় এবং তিনি জর্দা বা ধূমপান করে থাকেন তবে তিনি খাবার বড়ি নিতে পারবে না))((ডায়বেটিক কন্ট্রোলে থাকলে বড়ি নিতে পারবে)) ((৪০ বা তার বেশি বয়সের কোনো মহিলা খাবার বড়ি বা অন্য কোনো হরমোনাল মেথড নিতে পারবে না, যদি তারা একান্তই নিতে চায় তবে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে শারীরিক চেক আপ এর পর নিতে হবে)) 3. খাবার বাড়ির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: মাসিক অনিয়মিত হওয়া বা বন্ধ থাকা, বমি বমি ভাব, মাথা ধরা বা ব্যথা করা, ২মাসিকের মাঝে ফোটা ফোটা রক্ত যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, স্তন ভারী ভারী বোধ ইত্যাদি। 4. কিছু মিশ্র খাবার বাড়ির নাম: ২৮ টি বড়ি- নরডেট ২৮, মিনি ২৮, ফেমিকন, ফেমিপিল, রোজেন ২৮, এলাইসা, ২৮- জেসটপ ২৮, লেডিফার, লিভোনাইল ২৮, লিভোপিল, লেটা ২৮, নরজেস্ট, ওভরেস্ট, নরেট ২৮, কনরিনা- আর, ২১ টি বড়ি- মাইপিল, মারভেলন, নোভেলন, রেগুমেন, ডেসলন, মাইক্রলন, ডাইনোজেস্ট প্লাস, গায়ান ৩৫. কেপটিভা। ২২ টি বড়ি- ওভস্ট্যাট গোল্ড, ওভাকন গোল্ড, লিওস্টেট গোল্ড, পানেস। ২৪ টি বড়ি নভেলন লাইট 5. খাবার বড়ি খেতে ভুলে গেলে কি করণীয়? ১/২দিন বড়ি খেতে ভুলে গেলে যা করণীয়: মনে পড়ার সাথে সাথে একটি বড়ি খাবে ও ৩দিন বড়ি খেতে ভুলে গেলে যা করণীয়: ঐদিনের বাড়িটি নির্দিষ্টসময় খাবে এবং পাতার বাকি বড়ি গুলো প্রতিদিন সময় মতো খাবে। মাসিকের ১ম ও ২য় সপ্তাহে ৩দিন বড়ি খেতে ভুলে গেলে মনে পড়ার সাথে সাথে একটি বড়ি খাবে ও ঐদিনের বাড়িটি নির্দিষ্টসময় খাবে। পাতার বাকি সাদা এবং খয়েরি বড়ি গুলো নিয়মিত শেষ করবে। পরবর্তী ৭দিন কনডম ব্যবহার করবে অথবা সহবাস থেকে বিরত থাকবে। ((((বিঃদ্রঃ মাসিকের ৩য় সপ্তাহে ৩দিন বড়ি খেতে ভুলে যায় তবে মনে পড়ার সাথে সাথে একটি বড়ি খাবে ও ঐদিনের বাড়িটি নির্দিষ্টসময় খাবে। পাতার অবশিষ্ট শুধু মাত্র সাদা বড়ি গুলো নিয়মিত শেষ করবে কিন্তু খয়েরি বড়ি খাবে না এবং সাদা বড়ি শেষে নতুন পাতা শুরু করবে। পরবর্তী ৭দিন কনডম ব্যবহার করবে অথবা সহবাস থেকে বিরত থাকবে।)))) 6. খাবার বড়ি কখন থেকে কাজ করা শুরু করে? = খাবার বড়ি খাওয়ার ৭দিন পর থেকে কাজ করা শুরু করে। 7. যদি স্বামী বিদেশে থাকে বা অন্য জেলায় থাকে এবং মাঝে মধ্যে স্ত্রীর কাছে যায় ও সহবাস করে তাদের জন্য কনডম ছাড়া আর কি পদ্ধতি নিতে পারবে? Probing question: কত দিন পর পর স্বামী স্ত্রীর কাছে যায় (সহবাস করে)? ANS: যদি মাঝে মধ্যে অর্থাৎ ৩/৪ মাস অথবা ৫/৬ মাস পর স্ত্রীর কাছে যায়: সে ক্ষেত্রে স্বামী বাড়িতে আসার ৭ দিন আগে থেকে স্ত্রী নতুন একটি পাতা থেকে বড়ি খাওয়া শুরু করবে এবং অবশ্যই ঐ পাতার সকল বড়ি গুলো শেষ করতে হবে। আর ঐ পাতা শেষ হয়ে গেলে বড়ি খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে। আবার পরবর্তী সময় যখন স্বামী আসবে তখন ঠিক একই নিয়মে বড়ি খাওয়া শুরু করবে ও ছেড়ে দিবে। ((তবে স্বামী যদি প্রতি মাসে বা ঘন ঘন স্ত্রীর কাছে যায় সেই খেলে কাজ করবে না,সে ক্ষেত্রে স্ত্রীকে এক নাগাড়ে বড়ি খেয়েই ক্ষেত্রে এই নিয়মে বড়ি যেতে হবে)) শিশু ও নবজাতক এর সেবা 1. কত দিন পর্যন্ত একটি শিশুকে নবজাতক হিসেবে গণ্য করা হয়? N-1 = শুন্য থেকে ২৮ দিন পর্যন্ত। 2. নবজাতক এর বিপদ চিহ্ন গুলো কি কি? N-2 সমাধান: নবজাতক এর ৬টি বিপদ চিহ্ন রয়েছে: ১/ দ্রুত নিঃশ্বাস নেয়া বা বুকের খাঁচা দেবে যাওয়া। ২/মায়ের বুকের দুধ টানতে না পারা বা চুষতে না পারা। ৩/ জ্বর বা শরীর ঠান্ডা হওয়া। ৪/নেতিয়ে পড়া। ৫/খিঁচুনি ৬/নাভি পাকা। 3. নবজাতক এর চেক-আপ কয়টি ও কখন যেতে হয়? N-3 সমাধান: নবজাতক এর চেক-আপ ৪টি: ১/ প্রথম চেক-আপ প্রসবের ২৪ ঘন্টার মধ্যে। ২/ দ্বিতীয় চেক-আপ প্রসবের ৩দিনের মধ্যে। ৩/ তৃতীয় চেক-আপ প্রসবের ৭-১৪ দিনের মধ্যে। ৪/ চতুর্থ চেক-আপ প্রসবের ৪২ দিনের মধ্যে। 4. নবজাতকের টিকা গুলো কি কি? N-4 টিকার নাম (রোগ) ডোজের সংখ্যা টিকা দেয়ার সময় যক্ষ্মা ১টি জন্মের পর/পেন্টা ১ এর সাথে ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, ধনুষ্টঙ্কার, হেপাটাইটিস বি (জন্ডিস), হিমোফাইলাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা বি (পেন্টাভ্যালেন্ট ৩টি ৬সপ্তাহে, ১০ সপ্তাহে ও ১৪ সপ্তাহে নিউমোনিয়া ৩টি ৬সপ্তাহে, ১০ সপ্তাহে ও ১৪ সপ্তাহে পোলিও (পোলিও মাইলাইটিস) ৪টি জন্মের পর পর, ৬সপ্তাহে, ১০ সপ্তাহে ও ১৪ সপ্তাহে হাম ২টি ৯মাস পূর্ণ হলে ও ১৫ মাস পূর্ণ হলে রুবেলা ১টি ৯মাস পূর্ণ হলে বিঃ দ্রঃ সাধারণত অনেক সময় টিকা নেয়ার পর বাচ্চার জ্বর চলে আসে এবং ৩ দিন পর্যন্ত এই জ্বর থাকে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার এতে ভয়ের কিছু নাই। তবে যদি অনেক বেশি জ্বর আসে বা ৩দিনের বেশি জ্বর থাকে তবে ডাক্তার এর পরামর্শ নিতে হবে। 5. আমার বাচ্চা বুকের দুধ পাচ্ছে না কি করণীয়/? সমাধান: Probing Question: সমস্যা কার হচ্ছে, বাচ্চা বুকের দুধ টানতে পারছে না নাকি মায়ের বুকের দুধ তৈরি হচ্ছে না বা আসছে না? বাচ্চার বয়স কত? Senerio 1: যদি বাচ্চা বুকের দুধ টানতে না পারে: বাচ্চা বুকের দুধ টানতে না পারা একটা বিপদ চিহ্ন তাই যত দ্রুত সম্ভব বাচ্চাকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাবেন। Senerio 2: যদি মায়ের সমস্যা থাকে তবে; ১/বাচ্চাকে ঘন ঘন (১ঘন্টা পর পর) বুকের দুধ পান করানোর চেষ্টা করবেন। ২/ প্রত্যেকবার দুধ পান করানো আগে মাকে ১গ্লাস পানি পান করে নিতে হবে। ৩/মা ও বাচ্চার এটাচমেন্ট ঠিক রাখতে হবে এবং দুধ খাওয়ানোর সময় নিপলের খয়েরী অংশের বেশিরভাগ বাচ্চার মুখে পুরে রাখতে হবে। ৪/ দুধের প্রবাহ বাড়ানোর জন্য মা তার স্তনে "C" আকৃতিতে হালকা চাপ দিবে। ৫ ৬/ এভাবে ৪/৫ দিন দেখুন এরপরও যদি অবস্থার উন্নতি না হয় তবে স্বাস্থ কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। / লাউ, কুমড়া, কালোজিরা, সিং মাছ, মাগুর মাছ ইত্যাদি বেশি বেশি খাবে বুকের দুধের পরিমান বাড়াতে। 6. বাচ্চা ২/৩ দিন যাবৎ পায়খানা করছে না কি করণীয়? N-6 Senerio 1: ০-৬ পর্যন্ত বয়সের শিশুর ক্ষেত্রে: Probing Question: বাচ্চার বয়স কত? দিনে কতবার প্রসাব করে? বাচ্চা শুধু বুকের দুধ খাচ্ছে নাকি কোঁটার দুধ ও খাচ্ছে কি না? পেটে মোচড়ানো ব্যাথা আছে কি না? অতিরিক্ত কান্নাকাটি করছে কি না? সমাধানঃ যে সকল বাচ্চা শুধু মাত্র বুকের দুধ পান করে তাদের ক্ষেত্রে ৩-৫ দিন পায়খানা না হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে যদি ৫ দিনের বেশি হয় এবং পায়খানা না করার পাশাপাশি পেটে মোচড়ানো ব্যাথা ও অতিরিক্ত কান্নাকাটি করে তবে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। Senerio 2: ৬ মাসের অধিক বয়সের বাচ্চার ক্ষেত্রে Probing Question: বাচ্চার বয়স কত? দিনে কতবার প্রসাব করে? বাচ্চা শুধু বুকের দুধ খাচ্ছে নাকি কৌটার দুধ ও খাচ্ছে কি না? পেটে মোচড়ানো ব্যাথা আছে কি না? অতিরিক্ত কান্নাকাটি করছে কি না? সমাধান: যদি বুকের দুধের পাশাপাশি কোটার দুধ খায় তবে সে ক্ষেত্রে প্রতিদিনই পায়খানা করবে। আর যদি ৩দিনের বেশি পায়খানা না করে এবং পেটে মোচড়ানো ব্যাথা হয় তবে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। 7. বাচ্চার ২/৩ দিন যাবৎ পাতলা পায়খানা হচ্ছে কি করণীয়? Probing Question: বাচ্চারকে বয়স কত? ২৪ ঘন্টায় কতবার পায়খানা করে? প্রসাবের রং হলুদ হচ্ছে কি না? বাচ্চা নেতিয়ে পড়ছে কি না? বাচ্চার চোখ দেবে যাচ্ছে কি না? পায়খানার সাথে রক্ত বা বিজল যায় কি না? বাচ্চা পর্যাপ্ত পরিমান বুকের দুধ পাচ্ছে কি না? সমাধান: Senerio 1:০৬ পর্যন্ত বয়সের শিশুর ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম মনে রাখতে হবে যদি বাচ্চা দৈনিক ৫ বারের বেশি পাতলা পায়খানা করে বা পানি শুন্যতার লক্ষণ যেমন: প্রসাবের রং হলুদ হয়ে যাওয়া, বাচ্চা নেতিয়ে পড়া বা দুর্বল হয়ে যাওয়া, বাচ্চার চোখ দেবে যাওয়া, পায়খানার সাথে রক্ত বা বিজল যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। যদি পানি শুন্যতার লক্ষণ না থাকে তবে বাচ্চাকে বেশি বেশি করে বুকের দুধ পান করতে হবে। যদি বুকের দুধ পর্যাপ্ত পরিমানে না পায় শুধুমাত্র সেই ক্ষেত্রে প্রত্যেকবার পায়খানার পর ৫০ মিলি লিটার খাবার স্যালাইন চামুচ দিয়ে অল্প অল্প করে খাওয়াতে হবে। তবে খাবার স্যালাইন তৈরি করার আগে পানি ভালো করে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে নিতে হবে এবং আধা লিটার বিশুদ্ধ পানিতে একটা স্যালাইন এর প্যাকেট গুলিয়ে সেখান থেকে ৫০ মিলি লিটার স্যালাইন নিয়ে বাচ্চাকে খাওয়াতে হবে ও অবশিষ্ট স্যালাইন গুলো ফেলে দিতে হবে কারণ অবশিষ্ট স্যালাইন গুলো পরবর্তীতে বাচ্চা পাতলাপায়খানা করলে তাকে খাওয়ানো যাবে না। প্রত্যেকবার বাচ্চার পাতলা পায়খানা হলে একই নিয়মে নতুন করে স্যালাইন তৈরি করে বাচ্চাকে খাওয়াতে হবে। এভাবে সর্বোচ্চ ৭ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করে দেখবে এতে যদি পাতলা পায়খানা না কমে তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিবে। তবে মনে রাখতে হবে, যে কোনো দিন যদি বাচ্চা ৬/৭ বার পাতলা পায়খানা করে তবে সেই দিনই দেরি না করে সাথে সাথে বাচ্চাকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। Senerio 2: ৬ মাসের অধিক বয়সের বাচ্চার ক্ষেত্রে: সর্বপ্রথম মনে রাখতে হবে যদি বাচ্চা দৈনিক ৫ বারের বেশি পাতলা পায়খানা করে বা পানি শুন্যতার লক্ষণ যেমন: প্রসাবের রং হলুদ, বাচ্চা নেতিয়ে পড়া বা দুর্বল হয়ে যাওয়া, বাচ্চার চোখ দেবে যাওয়া, পায়খানার সাথে রক্ত বা বিজল যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। সমাধান: যদি পানি শুন্যতার লক্ষণ না থাকে তবে বাচ্চাকে বেশি বেশি করে বুকের দুধ পান করতে হবে। কৌটার দুধ খাওয়ালে সেটা বন্ধ রাখতে হবে। প্রত্যেকবার পায়খানার পর ৫০ মিলি লিটার খাবার স্যালাইন চামুচ দিয়ে অল্প অল্প করে খাওয়াতে হবে। তবে খাবার স্যালাইন তৈরি করার আগে পানি ভালো করে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে নিতে হবে এবং আধা লিটার বিশুদ্ধ পানিতে একটা স্যালাইন এর প্যাকেট গুলিয়ে সেখান থেকে ৫০ মিলি লিটার স্যালাইন নিয়ে বাচ্চাকে খাওয়াতে হবে ও অবশিষ্ট স্যালাইন গুলো ফেলে দিতে হবে কারণ অবশিষ্ট স্যালাইন গুলো পরবর্তীতে বাচ্চা পাতলাপায়খানা করলে তাকে খাওয়ানো যাবে না। প্রত্যেকবার বাচ্চার পাতলা পায়খানা হলে একই নিয়মে নতুন করে স্যালাইন তৈরি করে বাচ্চাকে খাওয়াতে হবে।। এভাবে সর্বোচ্চ ৭ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করে দেখবে এতে যদি পাতলা পায়খানা না কমে তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিবে। তবে মনে রাখতে হবে, যে কোনো দিন যদি বাচ্চা ৬/৭ বার পাতলা পায়খানা করে তবে সেই দিনই দেরি না করে সাথে সাথে বাচ্চাকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। ৪. বাচ্চার ঠান্ডা লেগেছে কি করণীয়? Probing Question: বাচ্চার বয়স কত? বাচ্চার কাশি বা জ্বর আছে কি না? শ্বাসকষ্ট হয় কি না? বাচ্চা ঘন ঘন শ্বাস নিচ্ছে কি? বুকের পাঁজর দেবে যায় কি না? সমাধান: উপরের এই লক্ষণ দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। আর যদি এই লক্ষণ না থাকে তবে বাচ্চাকে বেশি বেশি করে বুকের দুধ পান করাতে হবে, হালকা কুসুম গরম পানি দিয়া গোসল করাতে হবে ঠান্ডা পানি ব্যবহার করা যাবে না, বাচ্চাকে ভালোভাবে কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে, গোসলের পর সরিষার তেল বা অলিভ ওয়েল দিয়ে মালিশ করতে হবে। 9. বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানোর পরপরই বমি করে দেয় এটা কেন হয়? * সাধারণত বাচ্চাকে শোয়ানো অবস্থায় বুকের দুধ পান করলে বাচ্চা বমি করে দেয়। তাই কখনোই বাচ্চাকে শুইয়ে বুকের দুধ পান করানো যাবে না। * বাচ্চাকে বুকের দুধ পান করানোর পর তার ঢেঁকুর তোলাতে হবে এর জন্য মা তার বাচ্চাকে কাঁধে নিয়ে বাচ্চার পিঠে আস্তে আস্তে চাপ বা মালিশের মতো করতে পারে। 10. বাচ্চার বয়স ৭ মাস কিন্তু সে বুকের দুধ ছাড়া অন্য কিছু খেতে চায় না কি করণীয়? সমাধান: ৬ মাস পর থেকে বাচ্চার শারীরিক বৃদ্ধির জন্য তাকে বুকের দুধের পাশাপাশি অবশ্যই বাড়তি খাবার দিতে হবে এর বিকল্প নাই। কিন্তু যদি শিশু বাড়তি খাবার খেতে না চায় তবে তাকে সময় নিয়ে ধৈর্য্য সহকারে অল্প অল্প করে খাওয়াতে হবে। 11. বাচ্চার বয়স ৩ মাস এখন তাকে কি বুকের দুধ ছাড়া বাহিরের দুধ খাওয়ানো যাবে? সমাধান: বাচ্চার ৬ মাস বয়স পর্যন্ত তাকে বুকের দুধ ছাড়া অন্য কিছুই খাওয়ানো যাবে না। যদি একান্তই খাওয়াতে হয় তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাওয়াতে হবে। 12. বাচ্চার শরীরে বিভিন্ন জায়গায় লাল লাল দানা/ সাদা সাদা দানা দেখা দিয়েছে কি করণীয়? সমাধান: এই ক্ষেত্রে বাচ্চাকে অবশ্যই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। 1.3. বাচ্চাকে টিকা দেয়ার পর তার জ্বর আসছে কি করণীয়? সমাধান: বাচ্চাকে টিকা দেয়ার পর যদি জ্বর আসে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার এতে ভয় পাওয়ার কিছু নাই। সাধারণত ২/৩ দিন বাচ্চার শরীরে এই জ্বর থাকতে পারে। এই সময় ভেজা কাপড় দিয়ে বাচ্চার শরীর মুছে দেয়া যেতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে যদি ৩ দিনের বেশি এই জ্বর থাকে তবে তৎক্ষণাৎ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। 14. বাচ্চাকে যদি কোনো টিকা সময় মতো দেয়া না হয় এবং পরে সেই টিকা দেয়া হয় তবে কি কোনো সমস্যা হবে? আর কতদিন দেরি করে এই টিকা দিলে কোনো সমস্যা হবে না? N-14 সমাধান: বাচ্চার বয়স কত? কোন টিকা দেয়া হয়নি? সাধারণত বাচ্চাদের প্রত্যেকটি টিকা সময়মতো দেয়া ভালো তবে যদি কোনো কারণে সময়মতো সেই টিকা না দেয়া হয় তবে যত দ্রুত সম্ভব সেই টিকা দেয়া ভালো। আর কত দিন দেরি করো কোনো টিকা দেয়া যাবে এই ব্যাপারে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। ভালো হয় আপনি যত দ্রুত সম্ভব টিকা দিয়ে নিবেন। আর যদি একান্তই এখন টিকা দিতে না পারেন সেই ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। 15. বাচ্চার কত সপ্তাহে কয়টি টিকা দেয়া লাগবে তার লিস্ট: বাচ্চার বয়স / সময় টিকার নাম জন্মের পর পর যক্ষা ৬ সপ্তাহ/ দেড় মাস পেন্টাভ্যালেন্ট, নিউমোনিয়া, পোলিও ১০ সপ্তাহ/আড়াই মাস পেন্টাভ্যালেন্ট, নিউমোনিয়া, পোলিও ১৪ সপ্তাহ / সাড়ে তিন মাস পেন্টাভ্যালেন্ট, নিউমোনিয়া, পোলিও ৯ মাস পূর্ণ হলে রুবেলা হাম ১৫ মাস পূর্ণ হলে রুবেলা 16. বাচ্চার টিকা দেয়ার পর টিকার স্থানে লাল হয়ে যাওয়া, শক্ত দানা হওয়া, দাগ হয়ে যাওয়া, ক্ষত বা পুঁজ দেখা দিলে কি করণীয়? Probing Question: বাচ্চার বয়স কত? কোন টিকা দিয়াছেন? ANS: টিকার স্থানে কোনো প্রকার ঔষধ বা তেল দেয়া যাবে না, টিকার স্থান খোলা রাখতে হব। কিছু দিন পর নিজে থেকেই ক্ষত স্থান শুকিয়ে যাবে। তবে বাচ্চাকে বেশি বেশি বুকের দুধ পান করতে হবে। (বিঃ দ্রঃ শুধু মাত্র হাম ও রুবেলা টিকা দেয়ার পর যদি এই সমস্যা দেখা যায় তবে একই তথ্য দিতে হবে এবং বুকের দুধের পাশাপাশি তরল জাতীয় খাবার বেশি বেশি খেতে পরামর্শ দিবো।) 17. ৬ মাস পর শিশুকে কি কি বাড়তি খাবার দিতে হবে? সমাধান: বাড়িতে তৈরি চটকানো খাবার দিতে হবে। এছাড়াও শিশুকে প্রতিদিন মাছ, মাংস, মুরগির কলিজা, ঘন ডাল, শাক, হলুদ সবজি ও ফল, তেলে ভাজা খাবার ও দুধ দিয়ে তৈরী খাবার দেয়া যেতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে এই সময় শিশুকে বাহিরে থেকে কেনা কোনো ধরণের মুখরোচক খাবার না দেয়াই উত্তম। ৬ মাসের উপরে অর্থাৎ ১ থেকে ৫ বছরের বাচ্চারা বমি করলে কি করনীয়: Scenario 1: দিনে ৫/৬ বারের বেশি বমি করছে এমনঃ Probing Question: বাচ্চার বয়স কত? দিনে কতবার বমি করছে? ৫/৬ বারের বেশি বমি করছে কিনা? বমির পরিমান কি রকম? সমাধানঃ ৫/৬ বারের বেশি বমি হলে ও তা পরিমানে বেশি হলে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চলে যাবে। Scenario 2: যা খাবার খাচ্ছে তাই বমির সাথে বের হচ্ছে এরকম হলেঃ Probing Question: বাচ্চার বয়স কত? দিনে কতবার বমি করছে? বমির পরিমান কি রকম? সমাধানঃ যদি বাচ্চার বয়স এক বছরের নিচে হয়ঃ + সাধারণত বাচ্চাকে শোয়ানো অবস্থায় বুকের দুধ পান করালে বাচ্চা বমি করে দেয়। তাই বাচ্চাকে কখনই শুইয়ে বুকের দুধ পান করানো যাবেনা। * বাচ্চাকে বুকের দুধ পান করানোর পরে ঢেঁকুর তোলাতে হবে এর জন্য মা তার বাচ্চাকে কাঁধে নিয়ে বাচ্চার পিঠে আস্তে আস্তে চাপ বা মালিশের মতো করতে পারে। যদি বাচ্চার বয়স এক বছরের উপরে হয়- ৫ বারের কম বমি হলে যতবার বমি হবে ততবার বাচ্চাকে স্যালাইন খাওয়াতে হবে। প্রত্যেকবার বমির পরে ২০০ এম এল স্যালাইন খাওয়াতে হবে। স্যালাইন ফিডারেও খাওয়ানো যাবে। বাচ্চা যদি বুকের দুধ খায় সেক্ষেত্রে বেশি করে বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। যদি বুকের দুধ না পেয়ে থাকে স্যালাইন বেশি করে খাওয়াতে হবে। Scenario 3: সবুজ রঙের বমি হলেঃ Probing Question: বাচ্চার বয়স কত? সমাধানঃ এ ক্ষেত্রে যেকোনো বয়সের বাচ্চা হলেই দেরি না করে যত দ্রুত সম্ভব স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চলে যেতে হবে। ((বিঃদ্রঃ স্যালাইন খাওয়ার পরেও যদি বমি একবার ও না কমে সেক্ষেত্রে দেরি না করে যত দ্রুত সম্ভব স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চলে যেতে হবে)) ((যদি বমি কমানোর ওষুধ চায় সেক্ষেত্রে ১৬২৬৩ তে কল ট্রান্সফার করতে হবে।)) তালিকাঃ ইনজেকশন সেবা পাওয়া যায়ঃ কনডম, খাবার বড়ি ও জন্মনিয়ন্ত্রক ■ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (এম সি এইচ এফপি ইউনিট) ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র (জেলা পর্যায়) মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মডেল ক্লিনিক স্যাটেলাইট ক্লিনিক কমিউনিটি ক্লিনিক MFSTC MCHTI সেবাদান কারি কর্মকর্তা/ কর্মচারী: ■ মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ- এফপি) সহকারী সার্জন মেডিকেল অফিসার ক্লিনিক স্যাকমো: (SACMO) পরিবার কল্যান পরিদর্শীকা পরিবার কল্যান সহকারী সিএইচসিপি পরিবার কল্যান সহকারী আই ইউ ডি ও ইমপ্ল্যান্ট সেবা পাওয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র/আর ডি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র (জেলা পর্যায়) • মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মডেল ক্লিনিক MFSTC MCHTI • বেসরকারি সংস্থার ক্লিনিক সেবাদান কারি কর্মকর্তা/ কর্মচারী: • মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক) মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ- এফপি) সহকারী সার্জন মেডিকেল অফিসার পরিবার কল্যান পরিদর্শীকা বেসরকারি সংস্থার প্যারামেডিক স্থায়ী পদ্ধতি (টিউবেকটমি ও ভ্যাসেকটমি) সেবা পাওয়া যায়ঃ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র (জেলা পর্যায়) মোহাম্মদপুর ফার্টিলিটি সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (MFSTC) মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান (MCHTI) বেসরকারি সংস্থার ক্লিনিক সেবাদান কারি কর্মকর্তা/ কর্মচারীঃ মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক) মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ- এফপি) সহকারী সার্জন/মেডিকেল অফিসার পরিবার কল্যান পরিদর্শীকা বেসরকারি সংস্থার প্যারামেডিক প্রসবকালীন (গর্ভবর্তী মায়ের) সেবা পাওয়া যায়ঃ গর্ভবতীর বাডি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র/আর ডি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মডেল ক্লিনিক মোহাম্মদপুর ফার্টিলিটি সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (MFSTC) মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান (MCHTI) কমিউনিটি ক্লিনিক বেসরকারি সংস্থার ক্লিনিক সেবাদান কারি কর্মকর্তা/ কর্মচারীঃ মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক)/ মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ- এফপি)/সহকারী সার্জন পরিবার কল্যান পরিদর্শীকা প্রসব বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পরিবার কল্যান সহকারী (সিএসবিএ) ✓ বেসরকারি সংস্থার প্যারামেডিক নরমাল ডেলিভারি হয় যেখানেঃ মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র প্রসব পরবর্তী সেবা (গর্ভ তোর সেবা) সাধারানত প্রসবের ৪২ দিন পর্যন্ত গর্ভ তোর (প্রসব পরবর্তী) সেবা দেয়া হয়। ■ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (এমসি এইচ এফসি ইউনিট) ■ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র/আর ডি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র ■ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মডেল ক্লিনিক মোহাম্মদপুর ফার্টিলিটি সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (MFSTC) □ মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান (MCHTI) ■ বেসরকারি সংস্থার ক্লিনিক সেবাদান কারি কর্মকর্তা/কর্মচারীঃ মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ- এফপি) মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক)/সহকারী সার্জন ✓ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (মহিলা) পরিবার কল্যান পরিদর্শীকা ✓ পরিবার কল্যান সহকারী নবজাতকের স্বাস্থ্য সেব্য পাওয়া যায়ঃ এ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (এম সি এইচ/এফপি ইউনিট) ■ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র/আর ডি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র কমিউনিটি ক্লিনিক • মোহাম্মদপুর ফার্টিলিটি সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (MFSTC) □ মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান (MCHTI) মেডিকেল কলেজ ■ হাসপাতালের মডেল ক্লিনিক টিকাদান (ইসি আই) এর সেব্য সেবাদান কারি কর্মকর্তা/কর্মচারীঃ মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ- এফপি) সহকারী সার্জন মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক) SACMO (স্যাকমো) পরিবার কল্যান পরিদর্শীকা পাওয়া যায়ঃ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র কমিউনিটি ক্লিনিক মোহাম্মদপুর ফার্টিলিটি সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (MFSTC) মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান (MCHTI) বেসরকারি সংস্থার ক্লিনিক সেবাদান কারি কর্মকর্তা/কর্মচারীঃ CHCP পরিবার কল্যান সহকারী স্বাস্থ্য সহকারী ✓ টিকাদান কর্মী ✓ বেসরকারি সংস্থার কর্মী মাসিক নিয়মিতকরন (এম আর) এর সেবা পাওয়া যায়ঃ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র মোহাম্মদপুর ফার্টিলিটি সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (MFSTC) মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান (MCHTI) ■ বেসরকারি সংস্থার ক্লিনিক সেবাদান কারি কর্মকর্তা/ কর্মচারীঃ মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ-এফপি) ✓ মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক)/সহকারী সার্জন সহকারী সার্জন/মেডিকেল অফিসার পরিবার কল্যান পরিদর্শীকা বেসরকারি সংস্থার প্যারামেডিক কৈশোর কালীন প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা পাওয়া যায়ঃ পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র স্যাটেলাইট ক্লিনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মডেল ক্লিনিক মোহাম্মদপুর ফার্টিলিটি সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (MFSTC) মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান (MCHTI) ■ সেবা গ্রহীতার বাডি ■ বেসরকারি সংস্থার ক্লিনিক সেবাদান কারি কর্মকর্তা/ কর্মচারীঃ ✓ মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ-এফপি) মেডিকেল অফিসার ক্লিনিক মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক) সাকমো (SACMO) পরিবার কল্যণ সহকারী জরায় মুখ ক্যান্সারের পূর্বাবস্থা ও প্রাথমিক পর্যায়ের সেবা পাওয়া যায়ঃ ■ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মডেল ক্লিনিক ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ■ মোহাম্মদপুর ফার্টিলিটি সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (MFSTC) মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান (MCHTI) সেবাদান কারি কর্মকর্তা/ কর্মচারীঃ ■মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ- এফপি) ■ সহকারী সার্জন ■ মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক) পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা পুষ্টি বিষয়ক সেবা দেয়া হয় যেসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রেঃ মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র ■ কমিউনিটি ক্লিনিক ■ স্যাটেলাইট ক্লিনিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ব্যাপারে "কাস্টমার কমপ্লেইন" এর কলে কি কমিউনিকেশন করতে হবে। Probing Question: • কোন সেবার জন্য স্বাস্থ্য কেন্দ্রের গিয়েছিলেন? • কি কমপ্লেইন করতে চাচ্ছেন? (যেমন, কোনো সেবার জন্য টাকা দাবি করেছে?, খারাপ ব্যবহার করা হয়েছে?) • কোন জেলা? • কোন থানা? • কোন ইউনিয়ন? • সেবা কেন্দ্রের নাম কি? Agent: স্যার / ম্যাডাম আমি আপনার কমপ্লেইনটি আমার উর্ধতন কতৃকক্ষের কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছি এবং আশা করছি তারা অতি সিগ্রই এই বিষয় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবে। স্যার / ম্যাডাম আশা করছি আপনি ভবিষ্যতে আর এ ধরণের সমস্যার ম্মুখীন হবেন না। QNS: গতকাল রাতে আমি যৌন মিলনের সময়ে প্রটেকশন নিতে ভুলে গিয়েছি, এখন কি করতে পারি ? ANS: গতকাল রাতে যৌন মিলনের সময়ে প্রটেকশন নিতে ভুলে গিয়েছেন, তাহলে আপনি এখন ECP (Emergency Contraceptive Pill) খেতে পারেন। ECP হলো যৌন মিলনের পর গর্ভধারণ রোধ করার জন্য ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি। ECP খেতে হলে যৌন মিলনের পর ১২০ ঘন্টার মধ্যে খেতে হবে। ECP খেতে হলে আপনি নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন: 1. আপনার নিকটতম স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে ECP পেয়ে নিন বা ডাক্তারের পরামর্শ নিন। 2. ECP খেতে হলে যৌন মিলনের পর ১২০ ঘন্টার মধ্যে খেতে হবে। ECP খেতে হলে যৌন মিলনের পর ৭২ ঘন্টার মধ্যে খেতে হবে। 3. ECP খেতে হলে যৌন মিলনের পর ৭২ ঘন্টার মধ্যে খেতে হবে। ECP খেতে হলে যৌন মিলনের পর ১২০ ঘন্টার মধ্যে খেতে হবে। QNS: Condom kenar taka nai, ekhon sex kora ki safe hobe ? ANS: কোনো জন্ম বিরতিকরণ পদ্ধতি না থাকলে, কনডম ব্যবহার ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে অরক্ষিত সহবাসের ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব নয়। তাই কনডম ছাড়া অরক্ষিত সহবাস করলে গর্ভবতী হওয়ার ঝুঁকি থাকে। QNS: একজন নববিবাহিত দম্পতি হিসাবে কি পদ্বতি পরিবার পরিকল্পনা ব্যবহার করতে পারি? ANS: একজন নববিবাহিত দম্পতির জন্য, পরিবার পরিকল্পনার জন্য যে সকল পদ্ধতি উপলব্ধ, তাতে রয়েছে: 1. স্বল্পমেয়াদী পদ্ধতি (Short-term methods): - কন্ডম (Condom) - খাবার বড়ি (Oral Pills) - ইনজেকশন (Injections) , ECP pill QNS: Would you please provide Kazibakai union and PS-Dashar, Maddripur, FWC address, contract person mobile or email? ANS: কাজিবাকাই ইউনিয়ন, পিএস-ডাসার, মাদ্দ্রিপুর, এফডব্লিউসি এর ঠিকানা এবং চুক্তি ব্যক্তির মোবাইল বা ইমেইল নম্বর: * ঠিকানা: কাজিবাকাই ইউনিয়ন, মাদ্দ্রিপুর, ফরিদপুর * চুক্তি ব্যক্তি: মোঃ মমিনুল ইসলাম * মোবাইল নম্বর: ০১৭২২-২৪৪৯২৫ * ইমেইল: maminnul.islam@fwcbd.org QNS: একজন নববিবাহিত দম্পতি হিসাবে কি পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারি ? ANS: একজন নববিবাহিত দম্পতির জন্য পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি বেছে নেওয়ার আগে, তাদেরকে অবশ্যই তাদের স্বাস্থ্য, বয়স, পরিবার, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা, তাদের যৌন জীবনের ইতিহাস, তাদের পরিবারের মধ্যে কোনও জন্মের সাথে সম্পর্কিত সমস্যা ইত্যাদি বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া উচিত। তাদেরকে তাদের পছন্দ অনুযায়ী পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি বেছে নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করা উচিত, তবে তাদেরকে সকল পদ্ধতির সুবিধা-অসুবিধা, ঝুঁকি, কার্যকারিতা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ইত্যাদি সম্পর্কে জানাতে হবে। QNS: গতকাল রাতে আমি যৌন মিলনের সময়ে প্রটেকশন নিতে ভুলে গিয়েছি, এখন কি করতে পারি ? ANS: গতকাল রাতে অরক্ষিত যৌনমিলনের পর আপনি জরুরি জন্মবিরতিকরণ পদ্ধতি হিসেবে 'ইসিপি' (ইমেরজেন্সি কনট্রাসেপ্টিভ পিল) ব্যবহার করতে পারেন। 'ইসিপি' অরক্ষিত যৌনমিলনের ৫ দিনের মধ্যে নিশ্চিতভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে, যা এই পদ্ধতিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা। QNS: আমার ১ টি সন্তান আছে, ৩ মাস বয়স। এখন আমি পরিবার পরিকল্পনার কি পদ্ধতি গ্রহণ করবো ? ANS: আপনার ১টি সন্তান আছে, ৩ মাস বয়স। পরিবার পরিকল্পনার জন্য, আপনি যে পদ্ধতি গ্রহণ করবেন, তার চাহিদা, স্বাস্থ্য, এবং ব্যক্তিগত অবস্থা বিবেচনা করা উচিত। আপনি পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিকে যেতে পারেন, যেখানে বিশেষজ্ঞরা আপনার জন্য উপযুক্ত পদ্ধতি নির্বাচন করতে সাহায্য করবেন। আপনি কনডম, খাবার বড়ি, ইনজেকশন, আইইউডি, ইমপ্ল্যান্ট, টিউবেকটমি, বা এনএসভি মতো বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। আপনার পরিবার পরিকল্পনার লক্ষ্য কি, তা নির্ধারণ করার পর, আপনি এবং আপনার সঙ্গী কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। QNS: আমাকে পরিবার পরিকল্পনার পদ্ধতি নিয়ে বলুন | এমন পধতি যাতে আমার বাচ্চার বুকের দুধ পেতে কন সমস্যা না হয়। ANS: পরিবার পরিকল্পনার জন্য, আপনি যে পদ্ধতি গ্রহণ করবেন, তার চাহিদা, স্বাস্থ্য, এবং ব্যক্তিগত অবস্থা বিবেচনা করা উচিত। আপনি পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিকে যেতে পারেন, যেখানে বিশেষজ্ঞরা আপনার জন্য উপযুক্ত পদ্ধতি নির্বাচন করতে সাহায্য করবেন। আপনি কনডম, খাবার বড়ি, ইনজেকশন, আইইউডি, ইমপ্ল্যান্ট, টিউবেকটমি, বা এনএসভি মতো বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। আপনার পরিবার পরিকল্পনার লক্ষ্য কি, তা নির্ধারণ করার পর, আপনি এবং আপনার সঙ্গী কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। QNS: আমি প্রেগন্যান্ট কিন্তু বাচ্চা নিতে চাচ্ছি না এখন কি করব ? ANS: আপনি যদি গর্ভবতী হন এবং বাচ্চা নিতে না চান, তবে আপনার গর্ভাবস্থার কত সপ্তাহ চলছে তা জানা গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি ৬-৯ সপ্তাহের গর্ভবতী হন, তাহলে আপনি মাসিক নিয়মিত করণ পদ্ধতি (এম আর) ব্যবহার করতে পারেন, যা ঔষধের মাধ্যমে করা হয়। এর জন্য আপনাকে নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। যদি আপনি ১০-১২ সপ্তাহের গর্ভবতী হন, তাহলে ম্যানুয়াল ভ্যাকুয়াম এসপিরেশন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এর জন্যও আপনাকে প্রশিক্ষিত ডাক্তার বা প্যারামেডিকের সাহায্য নিতে হবে। আপনার পরিস্থিতি অনুযায়ী সঠিক পদক্ষেপ নিতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করা উচিত। QNS: আমার একটা বাচ্চা আছে, আমি ৫ বছর আর কোন বাচ্চা নিতে চাই না, তাইলে কি পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারি ? ANS: যদি আপনি ৫ বছর আর কোনো বাচ্চা নিতে না চান, তাহলে আপনি স্থায়ী পদ্ধতি হিসেবে আইইউডি (IUD),ইমপ্ল্যান্ট (Implant),টিউবেকটমি (Tubectomy) বা পুরুষদের জন্য এনএসভি (NSV) বিবেচনা করতে পারেন। এছাড়া, আপনি অস্থায়ী পদ্ধতিগুলোর মধ্যে কন্ডম, খাবার বড়ি,ইনজেকশন, আইইউডি বা ইমপ্ল্যান্ট ব্যবহার করতে পারেন।আপনার স্বাস্থ্য এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক পদ্ধতি বেছে নেওয়ার জন্য পরিবারের পরিকল্পনা ক্লিনিকে গিয়ে বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোচনা করা ভালো। তারা আপনাকে সঠিক পরামর্শ দিতে পারবেন। যদি আরও কিছু জানতে চান, তাহলে জানাবেন!